সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কোম্পানীগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস না থাকায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে যায়

16 April 2017_pic 008বিশেষ প্রতিবেদক ::
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় প্রতিবছর অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ ভস্মিভূত হয়। উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অভাবে উপজেলা সদর ও প্রত্যন্ত এলাকার হাটবাজারগুলোতে দোকানপাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কবল থেকে সহায়সম্পদ রক্ষার কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছরই আগুন লেগে মানুষের কোটি কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।

এ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১৪৮টি গ্রামের স্কুল, কলেজসহ, টুকের বাজার, পাড়–য়া বাজার, দয়ার বাজার, ভোলাগঞ্জ বাজার ও অকটেন, ডিজেল, কেরোসিন ও ফার্নিস অয়েলের বেশ কয়েকটি অস্থায়ী মজুদাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পরিষদ, ব্যাংক-বিমা অফিস, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নৌ ও সড়কপথে যানবাহনে প্রতিদিন জ্বালানি তেল সরবরাহ এবং মালামাল লোড-আনলোড করার সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। কোম্পনীগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণার ৩৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে আধুনিকমানের কোনো ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হয়নি। উপজেলা সদর ও প্রত্যন্ত এলাকার হাটবাজারগুলোর কোথাও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে ২৯ কিলোমিটার দূরের সিলেট ফায়ার সার্ভিসের ওপর ভরসা করতে হয়। সিলেট সদর থেকে দমকল বাহিনীর গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই সবকিছু আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে যায়।

কোম্পনীগঞ্জের সংবাদকর্মী আনুয়ার সুমনসহ থানা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১০-১৫টি বড় ধরনের অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে তারা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবী জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কাজ হয়নি। ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় প্রতি বছরে কোটি কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলে ক্ষতির পরিমাণ কমে আসত।

এ ব্যাপারে ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন চেয়াম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকা কোম্পনীগঞ্জে জরুরি ভিত্তিতে আধুনিক মানের একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকা দরকার, দীর্ঘদিনেও তা স্থাপন না করায় এখানকার এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী র্কমকর্তা মুহাম্মদ আবুল লাইছ জানান, মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদন হওয়ার পরে ভূমি অধিগ্রহণ করার পরে ভূমির দাম পরিশোধ করতে না পারায় সকল প্রক্রিয়া থেমে যায়। এখন আবার নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে ।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান ফাতেমা বলেন, ধীরে ধীরে কোম্পানীগঞ্জ একটি শিল্পনগরী হচ্ছে। এখানে এশিয়ার বৃহৎ পাথর কোয়ারি, শত শত ক্রাশার মেশিন, সিলেট ইলেক্টনিক সিটি নির্মাণাধীন থাকার পরও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকাটা দুর্ভাগ্যজনক।
কোম্পনীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বাছির জানান, তিনি একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের জন্য অনেক চেষ্টা করেন এবং এমপির কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: