সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে দুই মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

11 April 2017_pic 008কমলগঞ্জ প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় জালিয়াতির মাধ্যমে দুই মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা ব্যাংক থেকে তুলে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জির মুক্তিযোদ্ধা বিজয় চন্দ্র অধিকারীর সম্মানীভাতা এবং শমশেরনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আব্দুস সাত্তারের সম্মানীভাতা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বিজয় চন্দ্র অধিকারী আলীনগর ইউনিয়নের ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জির স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা পরিশোধ বই নম্বর ১২৯। তাঁর দুর্বলতার সুযোগে শমশেরনগর ইউনিয়নের কানিহাটি চা-বাগানের শিবচরন সাহার ছেলে নরসিং সাহা তাঁর মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিজয় চন্দ্র অধিকারী সেজে ২০১০ সাল থেকে তাঁর নামের মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা আত্মসাৎ করে আসছেন। এ বিষয়ে বিজয় চন্দ্র অধিকারী গত ২৩ মার্চ কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ বিষয়ে জানতে চেয়ে নরসিংহ সাহার সাথে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অপর একটি অভিযোগে জানা যায়, শমশেরনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুস সাত্তার মারা যাওয়ার পর তাঁর উত্তরাধীকারী স্ত্রী মেহেরজান বিবি পাঁচ বছরের মধ্যে একই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে তাহির মিয়া উরপে শুকর মিয়ার সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। মেহেরজান বিবির দ্বিতীয় বিয়ের পর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের একমাত্র কন্যা লাকি বেগম উত্তরাধীকারী সূত্রে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানীভাতা প্রাপ্তির আবেদন করেন। এই আবেদনের পরও পূর্বের ন্যায় মেহেরজান বিবি ভাতা উত্তোলন করছেন। দু বছর পূর্বে লাকি বেগমের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে আসাদুল হক একরাম তাঁর নানার নামের মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা প্রাপ্তির দাবি করে গত ৪ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করেন। আসাদুল হক একরাম বলেন, মেহেরজান বিবি দ্বিতীয় বিয়ের পর জালিয়াতির মাধ্যমে ভাতা আত্মসাৎ করছেন। মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আব্দুস সাত্তারের নাতি ও একমাত্র উত্তরাধিকারী হিসাবে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

fakhrul_islam

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: