সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার ডাক বিভাগে যুক্ত হলো নারী ড্রাইভার

10aprilnewspic006ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
এবার ডাকবাহী মেইল গাড়িতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নারী ড্রাইভার। গতকাল রোববার ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম রাজধানীর ডাক ভবন চত্বরে ১০টি গাড়ির চাবি তুলে দেন ১০ জন নারী চালকের হাতে। এখন থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন রাস্তায় ডাকবাহী গাড়ি চালাতে দেখা যাবে এই নারীদের। অন্যদের মধ্যে টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার ম-ল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। প্রসঙ্গত সারাদেশে ৯ হাজার ৮৮৬টি ডাকঘর রয়েছে বাংলাদেশের ডাক বিভাগের; কর্মী রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এক সময় লাভজনক হলেও রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠানটি গত ২ অর্থবছরে গড়ে ২০০ কোটির বেশি টাকা লোকসান দিয়েছে।

তারানা হালিম জানান, ডাক বিভাগের ডাক পরিবহন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীনে নতুন যোগ হতে যাওয়া ১১৮টি যানবাহনের মধ্যে ২০ শতাংশের চালক থাকবেন নারী। এটি খুব সুন্দর দৃষ্টান্ত হবে। আমাদের মেয়েরা হেভি ভেহিকেল চালনার জন্য প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তারা যখন গ্রামাঞ্চলে বা ঢাকা শহরে এই গাড়িগুলো চালাবেন, তখন সেটি হবে দর্শনীয় ও প্রশংসা করার মত একটি কাজ।

নারী চালকদের নিয়োগপত্র এবং বেতন-ভাতা সঠিকভাবে দেওয়ার বিষয়ে ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলেন প্রতিমন্ত্রী। নতুন প্রকল্পের অধীনে পাওয়া ৯টি ওপেন বডি পিকআপ ভ্যান এবং ১০টি কভার্ড ভ্যানের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, অবশিষ্ট গাড়িগুলো আগামী জুন মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। গাড়ি কেনার পাশাপাশি এ প্রকল্পের অধীনে ৩৩টি গ্যারেজও নির্মাণ করা হবে। ডাক বিভাগের নিজস্ব পরিবহন না থাকায় ভাড়া বা চুক্তির মাধ্যমে সড়কপথে ডাক পরিবহন করতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পার্সেল ও লজিস্টিকস পরিবহন চালু হবে।

10aprilnewspic007ডাকগাড়ির বহরে নতুন ১৯টি যানবাহন যুক্ত হওয়াকে সাফল্যের একটুখানি ঝলক হিসেবে বর্ণনা করেন এক সময়ের জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী তারানা। তিনি বলেন, একনেকের অনুমোদন পাওয়ার পর ১১৮টি যানবাহন যাতে দ্রুত চলে আসে, সেজন্য তাগাদা দিচ্ছিলাম। আমি বলব- এই যানবাহনগুলো ডাক বিভাগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নববর্ষের উপহার। তিনি বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর ডাক বিভাগকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর বিষয়টি তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন। কথা দিয়েছিলাম, নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। ডাক বিভাগের সকলে শতভাগ সহায়তা দিয়েছেন। ডাক বিভাগে হোঁচট খাইনি।

তারানা জানান, দেশের সব ডাকঘরে সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করাই বাস্তবায়নাধীন নতুন প্রকল্পের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, প্রতিটি ডাকঘরে সেবার ধরন বাড়ানোর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পোস্ট অফিসগুলোকে বিশেষ ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। পোস্ট অফিস বিশেষ ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করলে পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। এজন্য সমস্ত কাজ শেষ হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাইল পাঠাব। তিনি বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন, আমরা এখন বিস্তারিত পাঠাব। প্রস্তাবিত পোস্ট ব্যাংক নিয়ে নিজের কিছু স্বপ্নের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ একটি কাজ করতে চাই। এখানে প্রত্যেক বাবা-মা তাদের কন্যার লেখাপড়ার জন্য মাত্র পাঁচ টাকা দিয়ে একটি ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব খুলতে পারবেন। সরকারের কাছে আমরা প্রস্তাব করব, সেখানে একটু যদি ইনসেনটিভ দেয়, তাহলে কন্যার বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন সেটি আমরা কন্যার হাতে তুলে দিতে চাই। এই অংশটি দিয়ে সে ভবিষ্যতে লেখাপড়ার জীবনটি কনটিনিউ করতে পারবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: