সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মিরসরাই থেকে কোটবাড়ী জঙ্গি আস্তানার সন্ধান

comiilal-brif-bg20170331192146নিউজ ডেস্ক:: মিরসরাইয়ের জঙ্গি আস্তানা থেকে উদ্ধারকৃতদের কাছে পাওয়া মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই কুমিল্লা সদর দক্ষিণের কোটবাড়ি এলাকায় গন্ধমতি গ্রামে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে প্রায় ৬ ঘণ্টা ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’ চলার পর সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ব্রিফ করেন তিনি।

কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হুসাইন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, সন্দেহভাজন ওই জঙ্গি আস্তানার অভিযান বিকেলে শেষ হয়েছে। ওই আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া বোমাগুলো শনিবার সকালে নিষ্ক্রিয় করা হবে। ঘটনাস্থল থেকে দু’টো ট্রলিতে করে ৫ কেজি করে বোমা, আলাদা একটা ব্যাগে ৪টি গ্রেনেড ও ২টি সুইসাইডাল ভেস্ট জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানকালে ওই আস্তানা লক্ষ্য করে শতাধিক রাউন্ড টিয়ার শেল ও বুলেট ছুড়েছে কাউন্টার টেররিজম, সোয়াট ও র‌্যাব-পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। তবে আস্তানায় কোনো জঙ্গি পাওয়া যায়নি।

অভিযান সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ১৫ মার্চ মিরসরাই থেকে উদ্ধার করা জঙ্গিদের কাছ থেকে অর্ধপোড়া একটি মোবাইল ফোন সেট পাওয়া যায়। পরে ওই মোবাইল সেট পুলিশের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়। সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আনাস (২০) এবং রনি (২২) নামে দু’জনের নামপরিচয় পাওয়া যায়। এদের একজনের বাড়ি নোয়াখালী ও অন্যজনের রাজশাহী/চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন জঙ্গির যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানতে পারে পুলিশ।

জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় মিরসরাই এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিতে পারেনি তারা। এরপর ১ মার্চ কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকার ওই তিনতলা নিচতলায় থাকতো তারা। রনি আগে জেএমবি সদস্য ছিল, বর্তমানে নব্য জেএমবি। ২৯ মার্চ বিকেলে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এরপর থেকেই সন্ধান পাওয়ার পর গত তিনদিন ধরে বাড়িটি ঘিরে রাখে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা। কুমিল্লা মহানগরীর সদর দক্ষিণ উপজেলার ২৪ নং ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকায় গন্ধমতি গ্রামে জঙ্গি আস্তানায় ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’ শুরু শুক্রবার সকাল সোয়া ১১টায়।

অভিযান শুরুর আগে ওই আস্তানার আশেপাশের প্রায় ২ কি.মি. এলাকাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
কাউন্টার টোরোরিজম ইউনিট ও যৌথ বাহিনীর সঙ্গে অভিযানে র‌্যাবের ৪টি টিমও ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে ১২টা ও দুপুরে ওই এলাকায় ব্যাপক গুলির শব্দ পাওয়া যায়।

তারও আগে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের বিষয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করে মাইকিং করা হয়। শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকাল ১১টার পর সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপালী মন্ডলের নির্দেশে এ মাইকিং করা হয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: