সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মোদী ও মমতা সম্পর্কে ইতিবাচক মোড়!

1489807848আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: উষ্ণ বাক্য বিনিময়ের সুর চড়েছিল ২০১৪ সালে ভারতের গত লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে। তখন থেকেই মমতা-মোদী দ্বৈরথে উত্তাল হয়ে উঠেছিল ভারত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। সেই দ্বৈরথে কখনও একটু পিছিয়েছেন মোদী, কখনও আবার প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। এবার সেই প্রবল প্রতিপক্ষ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সম্পর্কের নতুন রসায়ন গড়ার চেষ্টা করছেন মমতা ব্যানার্জি।

গত কয়েক বছরের চড়া সুর নামিয়ে গত মঙ্গলবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত কৃষক দিবসের অনুষ্ঠানে মমতা বলেছেন, দিল্লি-পশ্চিমবঙ্গ যৌথ বোঝাপড়ায় এগিয়ে চলুক। ভোটে কেউ হারবে, কেউ জিতবে। মানুষ কিন্তু থাকবে। তাই ক্ষমতা থাকলে বুলডোজার চালালে চলবে না। আর এর পরপরই দিল্লিতে ভারতের রাজ্যসভা অধিবেশনে রণনীতি বদলে ফেলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপিরা। বিরোধিতার বদলে বরঞ্চ তারা সম্মিলিত ভাব দেখাচ্ছেন। তার আগে আরও একটি বিষয় ঘটে গেছে বেশ নিঃশব্দেই। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে মণিপুরে জিতেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক এমএলএ। তিনি সমর্থন জানিয়ে চলে গেছেন বিজেপির দিকে। তার যাওয়ায় বিজেপির মণিপুরে সরকার গঠনে কিছুটা হলেও সুবিধাই হয়েছে। কারণ ৬০ আসনের মণিপুর বিধানসভায় ২৮ আসন পেয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে ছিল বিজেপি। তাই দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির অন্দরমহলে কানাঘুষো তবে কি মমতা নীতি বদল করে মোদীর সঙ্গে সমঝোতা চেয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখায় বদল আনতে চাইছেন?

তৃণমূলের অন্দরমহল সূত্রে জানা গেছে, ভোটের সময় চড়া রাজনৈতিক বিরোধিতা চলেছিল দুই তরফেই। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সাফল্য অনেক রসায়নই বদলে দিয়েছে। লোকসভার মতোই ভারতের রাজ্যগুলোতেও বিজেপির প্রায় একচেটিয়া আধিপত্য। অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেস অনেকটাই শক্তি খুইয়ে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের হাত ধরে চলতে থাকলে আখেরে পশ্চিমবঙ্গেরই ক্ষতি। রাজ্যের উন্নয়নের প্রশ্নে দিল্লির সরকারের সহযোগিতা না পেলে যে কী হয়, তা অতীতে বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে সিপিএম। তার চেয়েও বড় কথা চড়া সুরে উত্তপ্ত বক্তব্যের রাজনীতিতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই দিল্লির মোদী সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ সম্পর্ক রেখে তারা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। আর তাই উত্তরপ্রদেশের ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভা থেকে কংগ্রেসসহ উত্তরপ্রদেশের দুই বৃহত্ রাজনৈতিক দল সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টি যখন ওয়াকআউট করেছে তখন মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস সেই আন্দোলনে পা মেলায় নি। উল্টে গত কয়েক বছরের প্রায় ‘জঙ্গি আন্দোলন’-এর মনোভাব থেকে দূরে সরে গেছে।

আর তাই দিল্লির রাজনৈতিক মহল মনে করছে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্কের এই রসায়নের বদলে অসমাপ্ত অনেক কিছুর ফয়সালা হয়ে গেলেও হতে পারে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: