সর্বশেষ আপডেট : ২৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বাংলাদেশ থেকে কেনা ঔষধে সুস্থ হলেন ব্রিটিশ নারী

1488457725 (1)নিউজ ডেস্ক:: হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত জো শারাম অর্থাভাবে ঔষধ কিনতে পারছিলেন না। চিকিৎসার জন্য যে ঔষধ প্রয়োজন তার দাম ১০ হাজার পাউন্ড যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দশ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।
কিন্তু ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে মাত্র ১ হাজার পাউন্ড বা এক লক্ষ টাকায় সেই ঔষধ বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করেছেন শারাম। ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী সংস্থা থেকে সেই ঔষধ সহজেই পাওয়া গেলেও অনেক উচ্চমূল্যের ওষুধ হবার কারণে এগুলো শুধুমাত্র বেশি অসুস্থ রোগীদের দেয়া হয়ে থাকে।
যুক্তরাজ্যে হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত প্রায় দুই লাখ পনের হাজারের মতো রোগী রয়েছে, যাদের একজন জো শারাম। শারামের বয়স যখন ২০ বছর তখন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। ভাইরাসটি শনাক্ত না হওয়ায় অন্য অনেকের মতো এই ভাইরাস বহন করেই বছরের পর বছর চলছিলেন তিনি।
শারাম বলেন, আমি অফিসের চেয়ারেই ঘুমিয়ে পড়তাম, স্মৃতিজনিত অনেক সমস্যাও হচ্ছিল আমার। এছাড়াও হজমে সমস্যা হচ্ছিল, ঘৃণা মনোভাব জাগছিল। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বের হলো আমার দেহে হেপাটাইসিস সি ভাইরাস রয়েছে। তখন বুঝলাম এ কারণেই আমি বহু বছর ধরে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছি।
হেপাটাইটিস সি ভাইরাস নিরাময়ে যে ওষুধ পাওয়া যায় ইংল্যান্ডে তার খরচ জোগাতে মোটামুটি হিমশিম খেতে হয় ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসকে। প্রতি রোগীর জন্য প্রায় দশ হাজার পাউন্ড খরচ হয় সংস্থাটির, আর এ কারণে শুধুমাত্র বেশি অসুস্থ রোগীদেরই এ ওষুধ দেয়া হয়। জো শারাম যেহেতু খুব বেশি অসুস্থ ছিলেন না তাই তিনিও ওই ওষুধ কিনতে পারেননি।
সে কারণে তিনি নির্ভর করলেন অনলাইনের ওপর এবং অনলাইনেই সস্তা দামের ওষুধ কিনলেন বাংলাদেশ থেকে। এতে তাঁর খরচ পড়েছিল প্রায় এক হাজার পাউন্ড। ‘আপনিতো দামের জন্য আপনার জীবনকে হুমকির মধ্যে রাখতে পারেন না, তাই না?’
কিন্তু ওই ওষুধ কাজ করবে কিনা সেটা না জেনে কিভাবে সেটা কিনলেন তিনি? ‘আসলে আমাকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। শারীরিক সমস্যাগুলো নিয়ে চলতে আর ভালো লাগছিলো না। তবে অবশ্যই সেটা বাতাসে কয়েন ছুড়ে দেয়া কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না,  আমি জেনে বুঝেই বিকল্প ঔষধ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
গত নভেম্বর মাসে তিনি তাঁর ওষুধের কোর্স শেষ করেন। এরপর তিনি আবার কিছু রোগ নির্ণয় পরীক্ষা করান। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেই ডায়াগনসিস রিপোর্ট হাতে পেয়ে জো দেখেন তাঁর রক্তে হেপাটিাইসিস সি ভাইরাসের কোনো লক্ষণ ধরা পড়েনি। এখানে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো যে দামে ওষুধ বিক্রি করছে তার তুলনায় অনেক কম দামে আমি ওষুধ কিনলাম। অথচ সেটা কাজও করলো। আর প্রত্যেকেরই সুস্থ হবার অধিকার আছে, যদি সেটা সম্ভব হয়। বলছিলেন জো। বিবিসি।001
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: