সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সার্চ কমিটি নিয়ে বিজ্ঞজনেরা যা বললেন

dsnewspic_27jan17_006ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতির দেয়া ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত কার্যকরী ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই কমিটি গঠন করায় রাষ্ট্রপতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলছেন, এই কমিটির মাধ্যমে চমৎকার একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে যাতে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

অপরদিকে, সংসদের বাইরে থাকা বিএনপি সার্চ কমিটি নিয়ে তির্যক মন্তব্য করে চলেছে। দলটির নেতারা বলছেন, কমিটির মনোনীত ব্যক্তিদের দেখে জাতি হতাশ হয়েছেন। কারণ, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিজেদের দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে।

নির্বাচন কমিশন গঠনের আইন না থাকায় ২০১২ সালের মতো এবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এই সার্চ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে এক মাসে আওয়ামী লীগ, সংসদের বাইরে থাকা বিএনপিসহ মোট ৩১টি দলের সঙ্গে বসে তাদের মতামত শোনেন তিনি। গত বুধবার ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

গাজী শাহনেওয়াজ ও বদরুল আলম মজুমদারের প্রতিবেদন—

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোটেক ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সার্চ কমিটি গঠন প্রসঙ্গে বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে যে অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছেন এর চেয়ে ভালো কমিটি আর হয় না। কিন্তু এই কমিটি নিয়েও সমালোচনা শুরু করেছে বিএনপি। এটা দলটির গতানুগতিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। যদি তাদের পছন্দের এবং অনুগত ব্যক্তিদের এই কমিটিতে রাখতেন রাষ্ট্রপতি তারপরেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা থেকে বিরত থাকতো না বিএনপি। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্কিত বক্তৃতা দিবে বিএনপি এটা আমরা আগে থেকেই জানতাম।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, এতোকিছুর পরও আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাব, অহেতুক রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর জন্য বা অহেতুক কথা চালাচালির জন্য জনগণকে বিভ্রান্ত না করে রাষ্ট্রপতির ওপর আস্থা রাখুন। অবশ্যই সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন হবে। তিনি বলেন, সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছেন। এর আলোকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত বুধবার কমিটির সদস্যদের নামে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কমিটিকে দশ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে। আশা করছি, বিরোধিতার খাতিয়ে বিরোধিতা না করে সবাইকে গঠিত কমিটির ওপরে আস্থা রাখা উচিত। রাষ্ট্রপতি আশাহত করেছেন : খন্দকার মোশারফ হোসেন

নির্বাচন কমিশন গঠনে ছয় সদস্যবিশিষ্ট যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে তাতে অনেকে হতাশ হয়েছেন। এটা কেমন সার্চ কমিটি হয়েছে তা দেশবাসী ইতোমধ্যে দেখেছে। সার্চ কমিটির এ ধরনের ফরমেট দেখে রাষ্ট্রপতির প্রতি দেশের জনগণ যে আস্থা রেখেছিল তা আর থাকল না। আমরা আশা করেছিলাম রাষ্ট্রপতি দেশের সকল মানুষের পক্ষ হয়ে সঙ্কট দূর করার জন্য গ্রহণযোগ্য একটি উদ্যোগ নিবেন। কিন্তু গত বুধবার গঠিত ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে তিনিও দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি। বিএনপি চেয়ারপারসন যে ১৩ দফা প্রস্তাব রাষ্ট্রপতিকে দিয়েছেন সেটির কিছুই তিনি আমলে নিয়েছেন বলে মনে হয় না। বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতি কতটুকু আমলে নিয়েছেন তাতো সার্চ কমিটির মাধ্যমে প্রমাণই হয়েছে। চেয়ারপারসনের প্রস্তাবে ছিল রাষ্ট্রীয় বেতনভুক্ত কোনো কর্মকর্তা বা বিচারপতিকে যেন সার্চ কমিটিতে নেওয়া না হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি করেছেন তার উল্টো। রাষ্ট্রপতি যে ছয়জনকে সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তারা সবাই বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করছেন। সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির প্রতি আমরা যে প্রত্যাশা রেখেছিলাম তা তিনি আমলে নেননি। সার্চ কমিটি ভালো বা নিরপেক্ষ লোকদের কমিশনার হিসেবে দিতে পারে বলে যে কথা বলা হচ্ছে তাতে আমরা কতটুকু আশা করতে পারি। যেখানে সরকারের মনোভাবের লোকজনকে সার্চ কমিটির সদস্য করা হয়েছে। সরকার আসলে আরেকটি ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচনের পথে হাঁটছে। এখন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বিএনপিকে রাজপথেই এর সমাধান খুঁজতে হবে।

জাসদের এমপি মঈন উদ্দীন খান বাদল বলেন, খুবই কার্যকরী কমিটি রাষ্ট্রপতি প্রণীত সার্চ কমিটির সদস্যদের দিকে তীক্ষ্ম-দৃষ্টিতে তাকালে দেখতে পাই কমিটিতে দুজন বিচারপতি আছেন। যদি মনে করেন তারা (বিচারপতি) অন্ধ তাহলে আগামীতে কাউকে এই ধরনের পদে দেখতে পাবেন না। বিএনপির সমালোচনা দেখলাম সরকার তাদেরকে এই পদে নিয়ে এসেছেন।

জাসদের এই এমপি বলেন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে সার্চ কমিটিতে রাখা হয়েছে। ভদ্রলোকের নাম মাসুদ। তার সঙ্গে আমার সরাসরি কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমন চমৎকার মানুষকে রাষ্ট্রপতি কমিটিতে রেখেছেন সে জন্য ওনাকে সাধুবাদ জানাই। এ ধরনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি হওয়ায় তা খুবই কার্যকরী হবে। অত্যন্ত ভালো কমিটি হয়েছে। তারা যথাযথ নির্ভরযোগ্য কমিশনারের নাম প্রস্তাব করবেন এবং সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ দেবেন।

তিনি বলেন, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের প্রথমে অথবা এর কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত হবে। সে নির্বাচনে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা কমিশনারের অধীনেই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে কেউ আসুক আর নাই আসুক এতে কিছু এসে যায় না। কারণ রাজনৈতিক দল হিসেবে ওই দলই তার ভবিষ্যৎ কবরস্থ করবেন, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করার মাধ্যমে।

জানিপপের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজমূল আহসান কুলিমুল্লাহ জানান, নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে প্রণীত সার্চ কমিটি গঠন করায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে সাধুবাদ জানাই। কারণ, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিনি এই কাজটি করতে পেরেছেন। গঠিত কমিটিতে আছেন, দুইজন বিচারপতি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের দু’জন এবং দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

সার্চ কমিটি গঠন, কমিটির পক্ষ থেকে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব বা সুপারিশ করা এবং সুপারিশকৃত নাম থেকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি। সে কারণেই সমগ্র জাতি এখন তার দিকেই তাকিয়ে আছেন। কারণ সার্চ কমিটির সদস্যরা যাদের নাম সুপারিশ করবেন একজন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

জানিপপের চেয়ারম্যান বলেন, এবারের কমিটিতে গতানুগতিক ধারার বাইরে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে অতীতের মতো আমলাতান্ত্রিক ধারার বাইরে সজ্জন ও সুনাগরিককে সাংবিধানিক পদে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা ইতিবাচক। পাশাপাশি ৬ সদস্যের কমিটিতে একজন মহিলাকে অন্তর্ভুক্ত রাখায় রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। রাজনৈতিক বলয় ভেদ করে রাষ্ট্রপতি বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিদের কমিটিতে স্থান দিয়েছেন, যা ইতিবাচক এবং রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের জন্য সুখকর।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে এবারের সার্চ কমিটিতে না রাখা প্রসঙ্গে নাজমূল আহসান বলেন, দুদক দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে থাকেন। অপরদিকে, নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক বলয়ের মধ্য থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত করে থাকেন। সেই অর্থে বলা যায়, রাজনীতির এক ধরনের নিয়ন্ত্রণের ভূমিকায় থাকেন কমিশন। এদিক থেকে দুদক চেয়ারম্যানকে রাষ্ট্রপতি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না রেখে উদার মনের পরিচয় দিয়েছেন। ফলে রাজনীতিমুক্ত থাকল দুদক যা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি।

রাষ্ট্রপতির ওপরে আস্থা আছে। বিশ্বাস করি। যারা সার্চ কমিটিতে এসেছেন সুনামধন্য এবং ভালো ব্যক্তি। কোনো ধরনের বিতর্কিত নন। প্রণীত সার্চ কমিটির মাধ্যমে ভালো একটি নির্বাচন কমিশন হবে। আশা করি, গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে এবং ষোল কোটি মানুষের স্বার্থে সব দলই নির্বাচনে অংশ নিবে। নির্বাচনে জনগণ যে দলকে রায় দিবেন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তা মেনে নেবো। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলেরও উচিত হবে তা মেনে নেওয়া। তিনি বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।

সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী তরিকত ফেডারেশনের একমাত্র সাংসদ নজিবুল বশর বলেন, এবার সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিবেন রাষ্ট্রপতি। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন নিয়োগে আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এটা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আমরা প্রস্তাব রেখেছিলাম। আশা করি, বর্তমান সরকার দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদকালেই এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে। কমিশন নিয়োগে আইন ও বিধি প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সদ্যগঠিত সার্চ কমিটি দেখে একথা ভালোভাবেই বলা যা, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিজেদের দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে। কারণ আওয়ামী লীগ জানে এভাবে করা ছাড়া তাদের আর কোনো গতি নেই। ভোটের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার রাস্তা বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন দলটি যা করছে তা এক কথায় ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা। আর কাজটি করতে হলে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করতে হবে। সেই কাজটি গত কমিশন আওয়ামী লীগের হয়ে খুব ভালোভাবেই করে দিয়েছে। তাই তারা আবার একটি জি হুজুর ধরনের কমিশন করতে এখন রাষ্ট্রপতিকে কাজে লাগিয়েছন। আওয়ামী লীগ আবার ৫ জানুয়ারির মতো একটি নির্বাচনের পথে হাঁটছে। বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে যে ১৩ দফা প্রস্তাব করেছিলেন । পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি যখন সংলাপ শুরু করলেন তখন সবার মতো আমরাও আশাবাদী হয়েছিলাম। কিন্তু যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে তা সরকারি দলের ইচ্ছার ফসল। সার্চ কমিটিতে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তা দেখে অনেকে হতাশ হয়েছেন। আমাদের দল বিএনপি এই সার্চ কমিটি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়েছে। আমাদের দলের মহাসচিব শিগগিরই এ ব্যাপারে দলীয় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবেন।

রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, এ কমিটির সদিচ্ছা থাকলে তারা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারবে। সরকারের চাপ উপেক্ষা করে ইসির জন্য নির্দলীয় ও যোগ্য ব্যক্তি খুঁজে বের করবে। সার্চ কমিটির সদস্যরা বিবেকের পরিচয় না দিলে জাতি ধ্বংস হবে। তবে ঘোষিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রত্যাশা ক্ষীণ বলা যাবে না। রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি নিয়ে সব দলের সঙ্গে যে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাজনীতিতে সমঝোতা ও আস্থার জায়গা তৈরিতে প্রথম ধাপে সফল হয়েছেন। গত বুধবার রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে যে ছয়জনকে যুক্ত করেছেন তারা প্রত্যেকে যার যার জায়গায় খুবই সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের যদি সদিচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যই তারা একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারবেন। আমরাও আশা করি, তারা এ ব্যাপারে আন্তরিক হবেন। তাদের সদিচ্ছা থাকবে এবং তারা জাতিকে হতাশ করবেন না। তারা একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। আমাদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসতে হবে। স্বাধীন একটা কমিশন হলে রাজনীতিতেও পথচলা অনেকটা সুগম হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: