সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হবিগঞ্জের বাহুবলে ৪ শিশু হত্যামামলায় আরো ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

dsnewspic_25jan17_009হবিগঞ্জ সংবাদদাতা ::
বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামে চাঞ্চল্যকর ৪ শিশু হত্যা মামলায় আরো ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। একই সাথে আদালত আসামি ছায়েদ মিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে।
গত সোমবার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত তারিখে কারাগারে থাকা মামলার প্রধান আসামি আব্দুল আলী বাগালসহ ৫ আসামিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. আতাবুল্লাহর আদালতে হাজির করা হয়। বেলা আড়াইটা থেকে ৪টা পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এর পূর্বে আসামি ছায়েদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রহমতে এলাহী তাঁর জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করেন। ওই দিন মামলার সাক্ষী রুবেল মিয়া তালুকদার, জুয়েল রানা ও আজাদ মিয়ার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবী ও এই মামলার সরকার নিযুক্ত বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন জানান, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এ মামলায় মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। তিনি জানান, সাক্ষী জুয়েল রানা আদালতকে জানিয়েছেন, নিহত শিশুরা নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে মাইকিং করেছেন। পরবর্তীকালে তাদের উদ্ধার হওয়া লাশগুলো দেখেছেন। সাক্ষী রুবেল মিয়া তালুকদার জানান, আসামি বাবুল আহমেদের গ্যারেজ থেকে ক্রস ফায়ারে নিহত বাচ্চু মিয়া ও বাবুলের সিএনজি অটোরিকশা পুলিশ জব্দের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাবুল মিয়ার গ্যারেজে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নিহত শিশু ইসমাইলের যে রক্তমাখা পাঞ্জাবি পুলিশ উদ্ধার করেছে তা তিনি দেখেছেন। অপর সাক্ষী আজাদ মিয়া জানান, আব্দুল আলী বাগাল ও আরজু মিয়ার বাড়ি থেকে পুলিশ তাদের মোবাইল জব্দের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় আসামি ৪ জনের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান, আসামি ছায়েদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট রহমতে এলাহী। পলাতক ৩ আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকছির মিয়া চৌধুরী।
উল্লেখ, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার পুত্র জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাত ভাই আব্দুল আজিজের পুত্র তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার পুত্র মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের পুত্র ইসমাঈল হোসেন (১০) খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের ৫ দিন পর ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে বালিমাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি নিহত শিশু মনিরের পিতা আবদাল মিয়া বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীকালে ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোকতাদির হোসেন তদন্ত করে গত ৫ এপ্রিল ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর মধ্যে আব্দুল আলী বাগালের ভাতিজা অটোরিকশা চালক বিল্লাল হোসেন, উস্তার মিয়া ও বাবুল আহমেদ পলাতক রয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি অটোরিকশা চালক বাচ্চু র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: