সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আরো ৬ মাইল বেড়েছে অ্যান্টার্কটিকার হিমবাহের ফাটল

full_1690206223_1485064614আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জমাট ‘বরফ-সাম্রাজ্যে’ ফাটল ধরেছিল অনেক আগেই। এখন সেই ফাটল যে হারে বাড়ছে, তাতে রীতিমতো ‘থ’ হয়ে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। থাকে থাকে সাজানো পুরু বরফের চাদরে মোড়া আন্টার্কটিকা। সেই আন্টার্কটিকার সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে পুরু যে বরফের চাদর, সেই ‘লারসেন-সি’ আইস-শেল্ফে ফাটল ধরেছে ১০০ মাইল দীর্ঘ এলাকা জুড়ে।

জানুয়ারির প্রথম দু’সপ্তাহেই সেই ফাটল আরো ৬ মাইল বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই ‘লারসেন-সি’ আইস-শেল্ফের ফাটল সদ্য ফেলে আসা ডিসেম্বরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে বেড়েছিল ১১ মাইল।

তার মানে, এক মাসেরও কম সময়ে আন্টার্কটিকার সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে পুরু বরফের চাদরে কম করে ১৭ মাইল বেড়েছে। এই ফাটল ধরা মানেই সেই ফাটলের ফাঁক গলে ঢুকতে থাকবে সূর্যালোক। ঢুকবে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। যার ফলে, ওই জমাট বরফ এবার দ্রুত গলতে শুরু করবে। আন্টার্কটিকার জমাট-বাঁধা ‘বরফ-সাম্রাজ্য’ ভরে যাবে থইথই জলে। আর তা আন্টার্কটিকার ভূগোলে ঘটিয়ে দেবে এক বড়সড় পালাবদল!

পৃথিবীর মহাসাগরগুলির পানির-স্তর আরো ৪ ইঞ্চি ওপরে উঠবে। যার ফলে, ওই মহাসাগরগুলির সংলগ্ন বহু এলাকা, বহু দেশ অদূর ভবিষ্যতে চলে যেতে পারে গভীর পানির নিচে।

সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আদ্রিয়ান লুকমানের নেতৃত্বে একটি ব্রিটিশ গবেষকদলের গবেষণায় আন্টার্কটিকার ‘বরফ-সাম্রাজ্যে’ অপ্রত্যাশিত গতিতে ফাটল বেড়ে চলার তথ্যটি প্রমাণিত হয়েছে। গবেষকরা আন্টার্কটিকার ‘বরফ-সাম্রাজ্যে’ বড়সড় ফাটল ধরার তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করেছিলেন মহাকাশে পাঠানো নাসার বিভিন্ন উপগ্রহের মাধ্যমে।

তার গবেষণাপত্রে মূল গবেষক আদ্রিয়ান লুকমান লিখেছেন, ‘মহাসাগরগুলির পানির-স্তরের সমান্তরালেই রয়েছে আন্টার্কটিকার ওই সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে পুরু বরফের চাদর- ‘লারসেন-সি আইস-শেল্ফ’। তবে সৌভাগ্যের কথা একটাই, ফাটল ধরায় ওই বরফ গললেও মহাসাগরগুলিতে এখনই সেই পানি মেশার সম্ভাবনা কিছুটা কম।

কারণ ওই ‘লারসেন-সি আইস-শেল্ফে’র সামনেই রয়েছে ১২ মাইল লম্বা একটা শক্তপোক্ত বরফের প্লেট। সেই প্লেটটাই ‘লারসেন-সি আইস-শেল্ফে’র বরফ গলা জলকে মহাসাগরগুলিতে মিশতে দিচ্ছে না। তাই বিপদটা হয়তো এখনই নেই। কিন্তু ১২ মাইল লম্বা প্লেটটাও যদি অদূর ভবিষ্যতে গলতে শুরু করে দেয়, তা হলে মহাসাগরগুলির পানির স্তর অস্বাভাবিক ভাবে ওপরে উঠে গিয়ে বহু এলাকা আর বেশ কয়েকটি দেশকে ভাসিয়ে দিতে পারে। ’

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: