সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৪১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সার্চ কমিটিতে খুশি আ’লীগ, অখুশি বিএনপি

1468952482আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের সুপারিশকৃত সার্চ কমিটি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে হলে খুশি হবে দলটি। আর এর জন্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দলটির সংলাপে বিস্তারিত তুলে ধরেছে আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিপরীতে বিএনপি চাইছে আগামী নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইসি গঠিত হোক আলোচনার মাধ্যমে। যেহেতু নির্বাচনে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আলোচনার পথ তৈরি করুক এটাই প্রত্যাশা দলটির শীর্ষ নেতাদের।
ইসি কিভাবে এবং কোন সুপারিশে গঠিত হবে- এটা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভিতরে বাইরে জোর আলোচনা চলছে। দলটির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক নেতা বলছেন, সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার কথা বলা রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হওয়ার পর ইসি গঠনে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক এটাও তাদের প্রত্যাশা।
বিএনপি আলোচনার মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে যে প্রস্তাব দিচ্ছে- তাতে সাড়া দিতে রাজি নন তারা। বরং যুক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগ বলছে, সংলাপ বা আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নয়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হবে এটাই নির্বাচনী আইনে রয়েছে। তাই বিএনপি’র একার খায়েশ পূরণ করবে না সরকার।
দলীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বিএনপি এতোদিন আন্দোলনের ভয় দেখিয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও করে সারাদেশে নাশকতা চালিয়েছে। তারা সরকারকে সংকটে ফেলার জন্য নানা কৌশল নিলেও তা ব্যর্থ। এখন নতুন করে আলোচনার যে আহ্বান করেছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে তাদের নতুন কোন ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাই সহসাই বিএনপি’র এই খায়েশ পূরণ হওয়ার নয়। আর সরকার চাইলেই ইসি নিয়ে কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে না।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগ জানিয়েছিলো, তারা ই-ভোটিং, সার্চ কমিটিসহ মোট চারটি প্রস্তাব পেশ করেছে। ২০১২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান যেভাবে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিলেন। সেই ভাবেই যেন সকলের গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন এবারও গঠন করা হয়, তাই চাইছে দলটি।
এ ব্যাপারে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী ২০১২ সালের ন্যায় নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা যেতে পারে এমন সুপারিশ আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেছি। আর কমিটি হবে তিনজনের সমন্বয়ে, যারা সাংবিধানিক পদে রয়েছেন।”
যদিও বিএনপি’র নেতারা চাইছেন আগামী নির্বাচন হোক বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নিজে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর বিএনপি’র অনেক নেতাই এখন ইসি নিয়ে মুখ খুলছেন। তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর সব দল আস্থা রাখবে এমনটাই প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেছেন। এখন তাহলে সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করে ইসি গঠন করা হোক।
এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমরা তো নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে।”
মির্জা ফখরুল যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তা কতখানি যুক্তিযুক্ত- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি এক নেতা বলেন, “তারা আশা করতেই পারে। তবে তাদের প্রত্যাশা কতখানি পূরণ হয় সেটা দেখার বিষয়। রাষ্ট্রপতি যে সিদ্ধান্ত নিবেন, তার বাইরে গিয়ে সরকার বা আওয়ামী লীগের কিছু করার নেই। কারণ আওয়ামী লীগ সংবিধান মানে এবং তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে আওয়ামী লীগের আরেক নেতা বলেন, “সরকারের কাজে এবং সিদ্ধান্তে বিএনপি সমর্থকেরা খুশি হলেও নেতারা খুশি হন না। সার্চ কমিটি অনুযায়ী সংবিধানের ভিতরে থেকে ইসি গঠিত হলে তারা খুশি না অখুশি হবে সেটা সময়-ই বলে দিবে।”
খবর : বিডি২৪লাইভ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: