সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৬ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার দেখি, অন্যের খাতা দেখে টুকিস কী করে!

unnamed-6চিত্রবিচিত্র ডেস্ক :: পরীক্ষা যত এগিয়ে আসে, ঘুম উড়ে যায়। বুক ঢিপঢিপ। প্রশ্ন কমন আসবে তো? সব উত্তর ঠিকঠাক লিখতে পারব তো? ফার্স্ট বেঞ্চ থেকে লাস্ট বেঞ্চ- দিন যত এগিয়ে আসে তত বাড়ে পড়ার গতি। যার যেমন মেধা- সে তেমন চেষ্টা করে পরীক্ষা বৈতরণি পার হতে। এতো গেল পড়াশোনা করা ছেলেপুলের কথা।
আর একদল আছে। যারা সারা বছর এসব পড়াশোনা-টোনার ধার ধারে না বললেই চলে। ওই ‘হলে মেরে দেব’ টাইপের আর কী? পরীক্ষার দিন যত এগিয়ে আসে তারাও তৈরি হয়। ব্যস্ততাও বাড়ে। নকল তৈরিতে। টুকলি সাপ্লাইয়ের মেথডে কতটা সড়গড় হয়ে নেওয়া যায়, চলে তার রিহার্সাল। আর পরীক্ষার হলে পড়িয়ে ছেলের পাশে সিট পড়লে তো কথাই নেই। পুরো দাঁড়ি, কমা সমেত পাশের ভালো ছেলের খাতা ঝেঁপে দেওয়া তো স্রেফ জলভাত। এই ধরনের ‘টুকলিবাজ’ ছেলেদের জ্বালায় বরাবরই হলে একটু বেশি সতর্ক থাকেন পরীক্ষকরা। নজর থাকে কড়া। আর এবার তো এক শিক্ষক এহেন ‘মূর্তিমান’ টুকলিবাজদের আটকাতে এক অভিনব পন্থা নিয়েই বসলেন।
চীনের আনহুই প্রভিন্সের চুঝৌ এক্সপেরিমেন্টাল স্কুল। স্কুলটিতে টুকলিবাজ ছাত্ররা নাকি বেশ ধুরন্ধর। পরীক্ষার হলে পরীক্ষকদের ঘোল খাওয়াতে বেশ পটু। তা এদের কীভাবে আটকানো যায়, তা ভেবে কুলকিনারা পাচ্ছিলেন না শিক্ষকরা। এই অবস্থায় এক শিক্ষকের মাথায় এই অভিনব চিন্তা আসে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। পরীক্ষার হলে ছাত্র-ছাত্রীরা বসতে না বসতেই- হাজির হয়ে যান শিক্ষাকর্মীরা। হাতে একগাদা খবরের কাগজ। খবরের কাগজের মাঝখানটা মাথার মাপ করে কাটা। শিক্ষকের নির্দেশে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হয় সে কাগজ। ঠিক এইভাবে।
যাতে করে পাশের জন কী লিখছে তা কোনও পরীক্ষার্থী দেখতে না পারে। দেখে টুকতে না পারে। এ যেন অনেকটা ঘোড়ার চোখে ঠুলি পড়ানোর মতো। শিক্ষকের উদ্যোগে কাজও হয়। আর এই ছবি সোশাল মিডিয়ায় আপলোড হতে না হতেই হয়ে যায় ভাইরাল। কেউ কেউ শিক্ষকের ভাবনার প্রশংসা করতে শুরু করেন, কেউ সমালোচনা। কেউ কেউ তো আবার এককদম এগিয়ে বলেই ফেলেন, সব স্কুলেই পরীক্ষার হলে এটা চালু করা হোক। তাতে টোকাটুকি কমবে। কেউ আবার বলেন, এটা ছাত্রছাত্রীদের কাছে অত্যন্ত অপমানজনক। এতে পড়ুয়াদের মনস্তত্ত্বে গভীর আঘাত আসতে পারে।
কারোর মতে, শিক্ষকরা হলে কড়া নজর দিলে এসবের প্রয়োজন হয় না। কেউ আবার বলেছেন, মাথায় সংবাদপত্র দিয়ে টোকাটুকি আটকানোর চেষ্টা অনেকটা বুমেরাং হয়েই ফিরে আসবে। কারণ এতে করে কোনও পরীক্ষার্থী চোতা নিয়ে টুকলি করছে কি না, তা দূর থেকে বোঝা সহজ হবে না। মাথা ঢাকা থাকায় টুকলি করার নানা পন্থা সহজেই অ্যাপ্লাই করতে পারবে কিছু পরীক্ষার্থী। চট করে তা ধরে ফেলা মুশকিল হবে।
তবে পিপলস ডেলি অনলাইনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি- কোনও পরীক্ষা নয়। এটি আসলে শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে একটি গেম চলছিল। ফাইনাল পরীক্ষার আগে ছাত্রছাত্রীদের চাপমুক্ত করতে নেওয়া হয়েছিল এই উদ্যোগ।
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: