সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবাধে আসছে মাদক

1-daily-sylhetসুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার মহেষখলা,ঘিলাগড়া ও কড়ইবাড়ি ভারতের মেঘালয় পাহাড় সীমান্তবর্তী এলাকা ঘেঁষা। এসব সীমান্তবর্তী এলাকায় আব্দুর ছাত্তার নামে এক চিহ্নিত কালোবাজারীর নেতৃতে একটি কালোবাজারী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানাযায় যে সীমান্তবর্তী ওই সব এলাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত মদ,গাঁজা,ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য আমদানি করে আসছে।

এছাড়াও কালোবাজারীরা এপথ দিয়ে অবৈধভাবে লক্ষ-লক্ষ টাকার ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন মালামাল আমদানী করে আসছে বলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।আর মাদকদ্রব্য ও গরুসহ এসব অবৈধ মালামাল তারা ধর্মপাশা সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারসহ পাশের নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা ও কলমাকান্দা উপজেলা সদরসহ আশে পাশের বিভিন্ন উপজেলায় বিক্রি করে আসছে। আর ওই সব এলাকায় হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায় বলে বিপথগামী হচ্ছে এলাকার যুবকেরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে সীমান্তবর্তী ওইসব এলাকায় গিয়ে লোকজনের সাথে কথা বলে জানাযায়, ভারতের মেঘালয় পাহাড় সীমান্তবর্তী বাঁকাতলা গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের নেতৃত্বে একদল কালোবাজারী সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্যসহ ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ মালামাল আমদানি করলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছেনা।

আরও জানাযায়, ভারতের মেঘালয় পাহাড় সীমান্তবর্তী ধর্মপাশা বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঁকাতলা গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের নেতৃত্বে গুলগাঁও গ্রামের জহিরুল মিয়া,কলতাপাড়া গ্রামের নজরুল মিয়া একই গ্রামের কাজল মিয়া,রংপুর গ্রামের আরশাদ আলী, আবুল মাহারী,নয়ন মিয়া,তুতা মিয়া,লক্ষ্মীপুর গ্রামের খুজরত মিয়াসহ এলাকার প্রায় ২০-২৫ জনের একটি কালোবাজারী সিন্ডিকেট সীমান্তবর্তী মহেষখলা,ঘিলাগড়া ও কড়ইবাড়ি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন মদ,গাঁজা,ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় গরুসহ লক্ষ-লক্ষ টাকার বিভিন্ন অবৈধ মালামাল আমদানি করে আসলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন এ ব্যাপারে নীরব ভুমিকা পালন করে আসছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাঁকাতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানান,আব্দুর ছাত্তারের নেতৃত্বে ওই সীমান্ত দিয়ে যেভাবে প্রতিদিন মদ, গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এলাকায় আসছে এভাবে চলতে থাকলে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে।

তিনি আরো জানান, এখানকার কালোবাজারী সিন্ডিকেট এতই ক্ষমতাশালী যে প্রশাসনসহ সকলই তাদের ইশারায় উঠে বসে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে এলাকার কেউ কথা বলার সাহস পায়না। গত ৩১ ডিসেম্বর হারুন মিয়া নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক গরু চুরাকারবারীদের ছবি তুলতে গেলে তারা ওই সাংবাদিককে মারধর করে তার ক্যামেরা চিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুর ছাত্তারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সীমান্ত এলাকার কালোবাজারীর সাথে জড়িত নন বলে দাবী করেন।

বিজিবি’র মাটিয়ারবন ক্যাম্পের ইনচার্জ হাবিলদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা রক্ষায় আমরা তৎপর রয়েছি এবং গত ৩১ ডিসেম্বর ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা ৪টি গরু আমরা আটক করে নিলামে দিয়েছি। তবে কালোবাজারীরা টের পেয়ে আগেই সটকে পরায় এসময় আমরা তাদেরকে আটক করতে পারিনি।

বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.বিল্লাল হোসেন জানান, ‘আমার এলাকায় কোনো কলোবাজারী সিন্ডিকেট আছে বলে আমার জানা নেই।’

মধ্যনগর থানার ওসি মো.মাজহারুল হক জানান,সীমান্ত এলাকায় কালোবাজারী সেন্ডিকেট গড়ে উঠেছে এটি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

fakhrul_islam

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: