সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ১১ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ আর নেই

11-230ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
যশোর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ (৭৪) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বুধবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের মামাতো ভাই নাসিমুল হাবিব শিপার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা সন্তান, অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সাবেক এই মন্ত্রীর মৃত্যুতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার শোক প্রকাশ করেছেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ ১৯৪২ সালের ২১ মার্চ যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা অ্যাডভোকেট মরহুম সেকেন্দার মোহাম্মদ মোসলেম, মাতা মরহুমা আমেনা খাতুন।

তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯৪৮ সালে গ্রামের পাঠশালায়। ঝিকরগাছা হাইস্কুলে ১৯৫৬ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন।
১৯৫৮ সালে যশোর মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয় হতে কৃতিত্বের সাথে আই এ পাশ করেন। ১৯৬১ সালে অনার্স এবং ১৯৬২ সালে মাস্টার্স পাশ করেন। ১৯৬৮ সালে কুষ্টিয়ার মেয়ে মমতাজ হাবিবের সাথে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন তিনি।

পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। বড় মেয়ে হৃদি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের বাসিন্দা এবং ছোট মেয়ে দিশা সোনাতা, ঢাকায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার একজন সিনিয়র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর।

মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ পেশাগত জীবন শুরু করেন ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মধ্যদিয়ে। ১৯৬৮ সালে তিনি জাপানে পাকিস্তান দূতাবাসে নিয়োগ পান। ১৯৭০ সালে পদোন্নতি পেয়ে দ্বিতীয় সচিব হন।

১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যখন ইন্দোনেশিয়া সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় তখন তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশে তিনি সেখানে বাংলাদেশ দুতাবাস স্থাপন করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৭৪ সালে দক্ষিণ এশিয়া এবং উপমহাদেশ দপ্তরের পরিচালক পদে নিয়োগ পান।

১৯৭৬ সালে নিউ ইয়ার্কে বাংলাদেশ মিশনে তাকে বদলি করা হয়। ১৯৭৯ সালে নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের অল্টারনেট রিপ্রেজেন্টেটিভ (বিকল্প প্রতিনিধি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮২ সালে তিনি মিশরে বাংলাদেশ দুতাবাস, ১৯৯৩ সালে ভিয়েতনামে, ১৯৯৬-৯৯ সাল পর্যন্ত রাশিয়াতে এবং ১৯৯৯-২০০১ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে তিনি চাকরি হতে অবসরে যান।

মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ ২০০৮ সালে ৯ম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। জাতীয় সংসদের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য, ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের মুখ্য সদস্য এবং বাংলাদেশ-ইরান সংসদীয় মৈত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: