সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আজ মুক্তি পাচ্ছেন আরিফ, আগামীকাল গউছ মুক্তির সম্ভাবনা

1-daily-sylhet-0-7নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী আজ বুধবার মুক্তি পাচ্ছেন। সিলেট কারাগার ও আদালতের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সূত্রে জানা গেছে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছকে মুক্তি পেতে পারেন বৃহস্পতিবার (৫জানুয়ারি) ।

আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল আদেশ দেন। অপর বিচারপতিরা হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসেইন হায়দার।

উচ্চ আদালতের রায় নিম্ম আদালতেও বহাল রেখে রায় দেয় আজ বুধবার (৪ জানুয়ারি)। সিলেট দায়রা জজ মনির আহমদ পাটেয়ারীর আদালতে আরিফুল হক চৌধুরীকে হাজির করা হয়। আসামীপক্ষের প্রডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডাব্লিউ) আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার আরিফকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আসামীপক্ষ আদালতে আরিফের জামিনের কাগজপত্র প্রদর্শন করেন।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আজ বুধবার মুক্তির বিষয়টি ডেইলি নিলেটকে নিশ্চিত করেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ছগীর মিয়া।

এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্তকৃত মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আরিফুল হক চৌধুরীর জামিনের খবরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় ভিড় করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগে পাঠানো হয়।

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বোমা হামলা মামলায় গত ১১ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ২০০৪ সালের ২১ জুন দুপুরে দিরাইবাজারে একটি সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সেই বোমা হামলায় এক যুবলীগকর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হন।

ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সে সময় উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে দিরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। গ্রেনেড হামলার এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: