সর্বশেষ আপডেট : ৪০ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১৩ বছরের কন্যার বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে বিয়ে

saima_and_mohammad_ramzan_35654_1483430775নিউজ ডেস্ক:: ১৩ বছর বয়সী সায়মা এবং তার স্বামী ৩৬ বছরের মোহাম্মদ রমজান।
প্রতিবন্ধী বন্ধুর কাছে নিজের ১৩ বছর বয়সী কন্যাকে বিয়ের বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন এক ব্যক্তি।

সম্প্রতি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজনপুর জেলার প্রত্যন্ত জামপুর অঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম মেট্রো।

এতে বলা হয়, জামপুরের ওয়াজির আহমেদ পুত্র সন্তানের আশায় বন্ধু মোহাম্মদ রমজানের বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব দেন। এর বিনিময়ে বন্ধু ওয়াজিরের ১৩ বছর বয়সী কন্যা সায়মাকে বিয়ের কথা বলেন ৩৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী রমজান।

পরে রমজানের প্রস্তাবে রাজি হন ওয়াজির। তিনি কন্যা সায়মাকে রমজানের কাছে তুলে দিয়ে তার বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

জানা গেছে, দক্ষিণ পাঞ্জাবের ওই এলাকাটি অত্যন্ত রক্ষণশীল জনপদ। সেখানে দুই পরিবারের মধ্যে কনে বিনিময়ের ‘ওয়াত্তা সাত্তা’ একটি বহুল প্রচলিত প্রথা। এর মানে হলো দেয়া-নেয়া।

ওয়াত্তা সাত্তা প্রথাটি চলে মূলত সামন্ত পরিবারগুলোতে। এর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ বা কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এক পরিবারের কনেকে অন্য পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। বিনিময়ে সেই পরিবারের কোনো কনেকে আবার ওই পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়।

এছাড়া কোনো পরিবারে যদি পুত্র সন্তানের জন্ম না হয় তখন ওই পরিবারের কোনো কনেকে আরেক পরিবারে বিয়ে দেয়া হয়। যার বিনিময়ে পুত্র সন্তান জন্মদানের আশায় ওই পরিবার থেকে কাউকে বিয়ে করে আনা হয়।

এ ধরনের ঘটনা দক্ষিণ পাঞ্জাবে অহরহ ঘটলেও এতে প্রশাসন তেমন বাধ সাধে না। কিন্তু সায়মা-জান্নাতের ওয়াত্তা সাত্তার বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

পাকিস্তানে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১৬ বছর। কিন্তু বিয়ের সময় সায়মার বয়স ছিল ১৩ বছর। এ বিষয়টি উল্লেখ করে ওয়াজিরের সঙ্গে বিরোধ থাকা একজন স্বজন সায়মার বিয়ের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে।

পরে পুলিশ তদন্ত করতে আসলে সায়মা তার বাবা ও স্বামী রমজানকে রক্ষার জন্য দাবী করে তার বয়স ১৬ বছর।

সায়মা বলে, আমি কাকে কখন বিয়ে করব তা সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার বাবার, এমনটি আমি মেনে নিয়েছি। রমজানের বোন এবং বাবা প্রেমে পড়েছিল। তাদের বিয়ের বিনিময়ে আমাকে রমজান বিয়ে করেছে।

fakhrul_islam

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: