সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজে নবীনবরণ

unnamed-3ডেইলি সিলেট ডেস্ক:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আমিনুল হক ভূইয়া বলেছেন, ভালো চিকিৎসক হতে হলে সুশৃংখল জীবন পরিচালনা করতে হবে। জীবনে বড় হতে হলে অনেক চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও পরিশ্রম জীবনে সফলতা এনে দিতে পারে। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলে একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করে এসডিজি বাস্তবায়নে অবদান রাখতে হবে। চিকিৎসকরা মানব সেবায় ব্রতি হয়ে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা পেশায় জ্ঞানের ঘাটতি থাকলে চলবে না। এই পেশায় দক্ষ হতে হলে জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই। তিনি মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেটের প্রথম বেসরকারি মেডিকেল কলেজ জালালাবাদা রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ২০১৬-১৭ সেশনের (২৩ তম ব্যাচ) এমবিবিএস প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এই মেডিকেল কলেজ আমার আপন ভূবন। যেহেতু এটি শাহজালাল বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাই মনে করি এটার আমার আপন নীড়। আমি যত দিন ধরে শাবির ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, এই কলেজকে সবসময় সহযোগিতা করেছি। শিক্ষার গুণগত মানের কারণে এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। কলেজের একাডেমিক কার্যক্রমে তিনি সবধরণের সহযোগিতার আশ^াস প্রদান করেন।

কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা: এটিএমএ জলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্¦বিদ্যালয়ের মেডিকেল সায়েন্স অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা: মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হান্নান, কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা: মো: আবেদ হোসেন, হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা: মো. আবেদ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্¦বিদ্যালয়ের মেডিকেল সায়েন্স অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা: মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী বলেন, বড় চিকিৎসক হতে হলে টার্গেট ঠিক করতে হবে। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশুনায় মেনাযোগী হলে সফলতা আসবে। প্রথম থেকেই পড়াশুনায় সচেতন থাকতে হবে। শিক্ষকরা ¯েœহ করে তাদেরকে একজন ভবিষ্যত চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলবেন। তিনি বলেন,এই কলেজের জন্য দানবীর রাগীব আলী ও মহীয়সী নারী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী অনেক পরিশ্রম করেছেন। তাদের অর্থ, মেধা ও শ্রম দেয়ার কারণেই এই কলেজ বাংলাদেশের টপ লেভেলের একটি মেডিকেল কলেজ। কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় এই কলেজ বর্তমান অবস্থানে এসেছে। এই সুনাম ধরে রাখতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হান্নান, দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী ও মহীয়সী নারী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরীর জন্ম না হলে এই কলেজও সৃষ্টি হতো না। তাদের অর্থ, শ্রম ও মেধা সবকিছু খরচ করেছেন এই মেডিকেল কলেজের জন্য। তিনি বলেন, এই কলেজ জাতিকে নতুন দক্ষ চিকিৎসক উপহার দিচ্ছে। নবীন এই শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে চিকিৎিসক হয়ে জাতির কর্ণধার হবে। চিকিৎসকরা মানুষকে সেবাদানের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকবেন। চিকিৎসকরা হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার দূত। তিনি মানবসেবায় দানবীর রাগীব আলীকে অনুসরণ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা: এটিএমএ জলিল বলেন, এই কলেজ অনেক প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠছে। কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে প্রধান বিচারপতি খুবই পজিটিভ। কিভাবে এই কলেজেকে উচ্চ শিক্ষার শিক্ষার সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করা যায়, সে ব্যাপারে প্রধান বিচারপতি খুবই পজিটিভ শাহজালাল বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো: আমিনুল হক ভূইয়া সবসময় সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এজন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা যখনই তাঁর কাছে যাই, তিনি সবসময় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। প্রফেসর ড. মো: আমিনুল হক ভূইয়া শক্ত হাতে শাবিতে কান্ডারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। আমরা এই থেকে শিক্ষা নিয়ে এই মেডিকেল কলেজকে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, তোমরা যারা নবীন ভর্তি হয়েছো, তোমরা এই মেডিকেল কলেজকে ভালবাসবে। পড়াশুনায় মনোনিবেশ করতে হবে। তোমরাই এই কলেজের প্রাণ। তিনি এই কলেজের কো-ফাউন্ডার বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী ও কলেজের প্রয়াত প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা: নাজমুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবয় দানবীর রাগীব আলী যেন দ্রুত আমাদের ফিরে আসেন, সেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা: মো: আবেদ হোসেন বলেন, দেশের একটি স্বনামধন্য মেডিকেলে ভর্তি আপনাদের সন্তানদের ভর্তি করেছেন, এদেরেকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। ভবিষ্যতে উন্নতির চরম শিখরে পৌছতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। তিনি বলেন, এই কলেজে বাংলাদেশের শ্রেষ্ট মেডিকেল কলেজ। এই কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য দানবীর ড. রাগীব আলী ও মহীয়সী নারী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকবেন। এই কলেজ আপন মহিমায় থাকবে। এই কলেজের দুর্দিনে প্রফেসর ডা: মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন। এজন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের সাংস্কৃতিক কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ডা: শামীমা আক্তার। শুরুতে পব্রিত কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ২২তম ব্যাচের ছাত্র জাহিদুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ডা: আয়েশা আক্তার, প্রফেসর ডা: সাইরাস সাকিবা, প্রফেসর ডা: রেজিনা মোস্তারিন, প্রফেসর ডা: রফিকুল হক, অভিভাবক প্রফেসর ড. সিদ্দিকুল ইসলাম ও কলেজের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শেষ তাহসিমুল মুরছালিন প্রমুখ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: