সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সদস্য পদে নির্বাচিত হলেন যাঁরা

vvvvvvসুনামগঞ্জ সংবাদদাতা ::
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য ১৫টি ওয়ার্ডে ভোটযুদ্ধে লড়েছিলেন ৮৩ প্রার্থী। জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আগ্রহের কমতি ছিল না। প্রার্থীদের নিয়ে জেলা জুড়ে ছিল নানা রকম আলোচনা।
সাধারণ মানুষ ও প্রার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অবশেষ সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১৫ জন সাধারণ সদস্য।
সাধারণ সদস্য পদে ১ নম্বর ওয়ার্ড (তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর, বড়দল উত্তর, বড়দল দক্ষিণ, বাদাঘাট, তাহিরপুর সদর ও বালিজুরী ইউনিয়ন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন (তালা প্রতীক) ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জুনাব আলী (টিউবওয়েল) ৩৭ ভোট, আতিকুর রহমান (বৈদ্যুতিক পাখা ৫ ভোট পেয়েছেন। জিল্লুর রহমান- ঢোল প্রতীকে এবং অ্যাড. মুস্তাফিজ আলী পীর হাতি প্রতীকে কোনো ভোটই পাননি।
২ নম্বর ওয়ার্ডে (শ্রীপুর দক্ষিণ, মধ্যনগর সদর, চামরদানী, বংশীকুন্ডা উত্তর, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ, চামরদানী ইউনিয়ন) বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোজ্জামেল হোসেন রুকন তালা প্রতীকে ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে চামরদানী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক প্রভাকর তালুকদার (হাতি প্রতীকে) ১১ ভোট, বিএনপি নেতা আব্দুল কায়ূম মজনু (ঘড়ি) ২৬ ভোট, আব্দুস সালাম (পাখা) ২ ভোট ও হারুন রশিদ (টিউওয়েল প্রতীকে) ২ ভোট পেয়েছেন।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে (ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা সদর, জয়শ্রী, সেলবরষ, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন) যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমদ মুরাদ (তালা) ৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অপর দুই প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জুবায়ের পাশা হিমু (বৈদ্যুতিক পাখা) পেয়েছেন ৩৩ ভোট এবং সৈয়দ আমিনুল হক হেলাল হাতি প্রতীকে কোনো ভোট পাননি।
৪ নম্বর ওয়ার্ড (জামালগঞ্জ উপজেলার সদর, ফেনারবাঁক, বেহেলী, ভীমখালী ও সাচনাবাজার ইউনিয়ন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মুকিত চৌধুরী (হাতি প্রতীকে) ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে উপজেলা যুবলীগ নেতা কল্যাণ ব্রত তালুকদার (তালা) ১৭ ভোট, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোল আহমদ (অটোরিকশা) ১২ ভোট, সৈয়দ খালেদ আহমদ (টিউওয়েল) ১ ভোট, আসহাদুর রহমান (ঢোল) পেয়েছেন। আরেক প্রার্থী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিসবাহ উদ্দিন (ঘুড়ি প্রতীকে) কোনো ভোট পাননি।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে-(সদর উপজেলার গৌরারং, মোহনপুর, কাঠইর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ, পলাশ, ধনপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ ও ফতেপুর ইউনিয়ন) শামছুজ্জামান শাহ (বেহেলা) প্রতীকে ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া এ এইচ এম হাসান বশির (বৈদ্যুতিক পাখা) ২ ভোট, ফারুক রশীদ (ঘুড়ি) ২০ ভোট, মমিনুল ইসলাম (ঢোল) ১ ভোট, মহিবুর রহমান (তালা) ২০ ভোট, সাজ্জাদুর রহমান (হাতি) ২ ভোট, হোসেন আলী (টিফিন ক্যারিয়ার) ২৯ ভোট, সৈয়দ আহমদ (টিউবওয়েল) ১ ভোট পেয়েছেন। অপর তিন প্রার্থী মাহতাব উদ্দিন তালুকদার (অটোরিক্শা) আবু সাইদ (বক) ও অ্যাড. আলম নূর হীরা-(উটপাখি প্রতীকে) কোনো ভোটই পাননি।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে (সুনামগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার কুরবাননগর, জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা, রঙ্গারচর, মোল্লাপাড়া ও লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন) সৈয়দ তারিক হাসান দাউদ (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতীকে ২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া আব্দুল মজিদ (তালা) ১১ ভোট, জুবের আহমদ অপু (টিউবওয়েল) ৪ ভোট, মাজহারুল ইসলাম উকিল (হাতি) ১০ ভোট, ইয়াকুব বখত বহলুল (বেহালা) ২ ভোট, ওয়াহিদুর রহমান সুফিয়ান (ঘড়ি) ১৩ ভোট, জসিম উদ্দিন (ক্রিকেট ব্যাট) ১ ভোট, মনির উদ্দিন (ঢোল) ২৪ ভোট পেয়েছেন। আল হেলাল (বক) ও জিয়াউর রহমান (অটোরিক্শা) প্রতীকে কোনো ভোট পাননি।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা, পশ্চিম পাগলা, জয়কলস, শিমুলবাঁক ও পাথারিয়া ইউনিয়ন) জহিরুল ইসলাম (ঘড়ি) প্রতীকে ২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ মিয়া (বৈদ্যুতিক পাখা) ৮ ভোট, জাহাঙ্গীর আলম (তালা) ১০ ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল আলম নিক্কু (টিউবওয়েল) প্রতীকে ২১ ভোট পেয়েছেন।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে (দিরাই উপজেলার পৌরসভা, সরমঙ্গল, চরনারচর, রাজানগর, রফিনগর, জগদল ও করিমপুর ইউনিয়ন) নাজমুল হক (তালা) প্রতীকে ৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সৈয়দ বদরুল আলম (হাতি প্রতীকে) ৪ ভোট ও দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. সুহেল আহমদ ছইল মিয়া (টিউবওয়েল) প্রতীক পেয়েছেন ৩৮ ভোট।
৯ নম্বর ওয়ার্ডে (দিরাই উপজেলার তাড়ল, কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া, শাল্লা উপজেলার শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও ইউনিয়ন) আবু আব্দুল্লাহ চৌধুরী (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতীকে ৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সাংবাদিক পিসি দাস (অটোরিক্্রা)-৪ ভোট, বাদল চন্দ্র দাস (টিউবওয়েল) ৪ ভোট, বেলাল আহমেদ (ঢোল) ৮ ভোট, আবুল লেইছ চৌধুরী (ঘড়ি) ১৮ ভোট, নূরুল হক তালুকদার (তালা) ২৩ ভোট ও নান্টুু লাল দাস (হাতি প্রতীকে)পেয়েছেন ১৩ ভোট।
১০ নম্বর ওয়ার্ড (জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা, কলকলিয়া, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশা, পূর্ব বীরগাঁও, পশ্চিম বীরগাঁও) মাহতাব উুল হাসান সমুজ (বেহেলা) প্রতীকে ২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া সুহেল মিয়া (তালা) ১৮, আব্দুল মতলিব চৌধুরী (ঢোল) ৫, আব্দুল জব্বার (ঘড়ি) ১, নূরুল আমীন (বৈদ্যুতিক পাখা) ৯, শহিদুর রহমান শহীদ (টিউবওয়েল) প্রতীকে পেয়েছেন ১২ ভোট। ইমদাদুর রহমান তালুকদার (ক্রিকেট ব্যাট) ও ছালেক উদ্দিন (বক) প্রতীকে কোনো ভোট পাননি।
১১ নম্বর ওয়ার্ড (জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রাণীগঞ্জ, আশারকান্দি, পাটলী, মীরপুর, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ও চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন) সৈয়দ সাবির মিয়া (তালা) প্রতীকে ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া আবুল হোসেন লালন (টিউবওয়েল) ৪০ ভোট ও শাহজাহান সিরাজী (ঘুড়ি) ৬ ভোট পেয়েছেন।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে (ছাতক উপজেলার চরমহল্লা, জাউয়াবাজার, দোয়ারবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও, পান্ডারগাঁও ও দোহালীয়া ইউনিয়ন) অ্যাড. আব্দুল আজাদ রোমান (টিউবওয়েল প্রতীকে) ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রেজা মিয়া তালুকদার (তালা প্রতীকে) পেয়েছেন ২৪ ভোট।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে- (দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর, বাংলাবাজার, নরসিংপুর, লক্ষ্মীপুর, বোগলাবাজার ও সুরমা ইউনিয়ন) আমিনুল ইসলাম সেলিম (তালা) প্রতীকে ৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া নূরুল ইসলাম (টিউবওয়েল) প্রতীকে ২৩ ভোট ও আকরামুল হাসান মাসুম (অটোরিক্শা) প্রতীকে ৭ ভোট পেয়েছেন।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে (ছাতক উপজেলার পৌরসভা, সদর, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কালারুকা, খুরমা উত্তর, ইউনিয়ন) আফজল হোসেন (তালা প্রতীকে) ৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া আফসার উদ্দিন (বৈদ্যুতিক পাখা) ৫ ভোট, আশীক আলী- (টউবওয়েল) ২৯ পেয়েছেন। অপর প্রার্থী এনামুল হক (উটপাখি প্রতীকে) কোনো ভোট পাননি।
১৫ নম্বর ওয়ার্ড (ছাতক উপজেলার খুরমা দক্ষিণ, সিংচাপইড়, দোলারবাজার, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ ও ভাতগাঁও ইউনিয়ন) আব্দুস শহীদ মুহিত (তালা প্রতীকে) ৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সানাউর রহমান তালুকদার (টিউবওয়েল প্রতীকে) পেয়েছেন ২১ ভোট।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সদস্য প্রার্থী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২০ নারী । তাঁদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন ৫ জন ।
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর, শ্রীপুর দক্ষিণ, বড়দল উত্তর, বড়দল দক্ষিণ, বাদাঘাট তাহিরপুর, তাহিরপুর সদর, বালিজুরী, ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার মধ্যনগর সদর, চামরদানী, বংশীকুন্ডা উত্তর, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ, ধর্মপাশা সদর, জয়শ্রী, সেলবরষ, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ১ নম্বর
ওয়ার্ডে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের মেয়ে জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহবায়ক সেলিনা আবেদীন (ফুটবল প্রতীকে) ১৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়াসমিন আক্তার (দোয়াত কলম প্রতীকে) পেয়েছেন ৬৪ ভোট পেয়েছেন।
জামালগঞ্জ উপজেলার সদর, ফেনারবাঁক, বেহেলী, ভীমখালী ও সাচনাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং, মোহনপুর, কাঠইর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ, পলাশ, ধনপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ ও ফতেপুর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার কুরবাননগর, জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা, রঙ্গারচর, মোল্লাপাড়া ও লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা মহিলা সংস্থার সভাপতি ফৌজিয়ারা বেগম (লাটিম প্রতীকে) ৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সাদিয়া বখত (টেবিলঘড়ি) ৮৪ ভোট, ফেরদৌসি সিদ্দিকা (কম্পিউটার) ১৪ ভোট, তাহমিনা বেগম (ফুটবল) ২৬ ভোট, মদিনা আক্তার (দোয়াত-কলম) ১০ ভোট, রাজিয়া খাতুন (ডিসএন্টেনা) ৬ , রাবেয়া সিদ্দিকা (টেলিফোন) ১১, সানজিদা নাসরিন ডিনা ডায়না (হরিণ) ২, সামিনা চৌধুরী (মাইক)১৯ ও সৈয়দা আমেনা আখঞ্জি (বই প্রতীকে) ৫ ভোট পেয়েছেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা, পশ্চিম পাগলা, জয়কলস, শিমুলবাঁক ও পাথারিয়া, দিরাই উপজেলার পৌরসভা, সরমঙ্গল, চরনারচর, রাজানগর, রফিনগর, জগদল, করিমপুর, তাড়ল, কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া, শাল্লা উপজেলার শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ফারহানা ইয়াসমিন সীমা (মাইক প্রতীকে) ১১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া দিরাইয়ের কুলঞ্জ ইউপির সাবেক ইউপি সদস্যা রাজরানী চক্রবর্তী (হরিণ) ৮৯ ভোট, বিনা জয়নাল (ফুটবল) ২২ ভোট ও ফিরুজা বেগম (টেবিল ঘড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ ভোট।
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা, কলকলিয়া, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশা, পূর্ব বীরগাঁও, পশ্চিম বীরগাঁও, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রাণীগঞ্জ, আশারকান্দি, পাটলী, মীরপুর, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ও চিলাউড়া হলদিপুর, ছাতক উপজেলার চরমহল্লা, জাউয়াবাজার, দোয়ারবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও, পান্ডারগাঁও ও দোহালীয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত-৪ নম্বর ওয়ার্ড সামিনা সুলতানা (বই প্রতীকে) ১৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রওশনারা বেগম (ফুটবল প্রতীকে) পেয়েছেন ৮০ ভোট।
দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর, বাংলাবাজার, নরসিংপুর, লক্ষীপুর, বোগলাবাার ও সুরমা, ছাতক উপজেলার পৌরসভা, সদর, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কালারুকা, খুরমা উত্তর, খুরমা দক্ষিণ, সিংচাপইড়, দোলারবাজার, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ ও ভাতগাঁও ইউনিয়ন গঠিত সংরক্ষিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছাতক-দোয়ারার সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের একমাত্র বোন ও ছাতক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুলের সহধর্মিণী শিক্ষিকা নুরুন্নাহার চৌধুরী চিনু (হরিণ) প্রতীকে ১৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান আলেকের স্ত্রী সেলিনা আক্তার (ফুটবল প্রতীকে) পেয়েছেন ৯৪ ভোট।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: