সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অজগরের পেট কাটতেই বেরলো অবিশ্বাস্য ‘গুপ্তধন’

45874_pyhonরকমারি ডেস্ক:
আফ্রিকান রক পাইথনের দৈর্ঘ্য ২৪ ফুট পর্যন্ত হয়। এই সাপগুলি অ্যান্টিলোপ, ছাগল এবং বাছুর খেয়ে নিতে সক্ষম। কিছুকাল আগে এই ধরনের সাপের আক্রমণেই কানাডায় দু’টি শিশু এবং একটি বাচ্চা মারা গিয়েছিল।

গ্রামের একটি বাছুর কয়েকদিন ধরে বেপাত্তা ছিল। গ্রামবাসীরা খুঁজে পাচ্ছিলেন না বাছুরটিকে। গ্রামবাসীদের আশঙ্কা ছিল, বিশ্রী কিছু ঘটে গিয়েছে বাছুরটির সঙ্গে। এর দিন কয়েক পরেই গ্রামের লোকজন একটি বিশালাকায় অজগর দেখতে পান গ্রামের চৌহদ্দির মধ্যে। বিশালাকৃতির অজগর ওই এলাকায় খুব বিরল কিছু নয়। কিন্তু এই সাপটিকে দেখে গ্রামবাসীদের চোখ আটকে যায়, কারণ সাপটির পেটের কাছটা বেজায় ফুলে ছিল। সাধারণত সাপেরা কিছু খাওয়ার পরে তাদের পেটটা অনেকক্ষণ ফুলে থাকে। যতক্ষণ না খাবার হজম হচ্ছে, ততক্ষণ পেটটা স্ফীতাকার ধারণ করে থাকে। গ্রামবাসীরা নিশ্চিত হয়ে যান, সাপটা নির্ঘাত ওই নিখোঁজ বাছুরটিকে উদরসাৎ করেছে। তীব্র আক্রোশে সাপটিকে হত্যা করেন গ্রামবাসীরা। মৃত বাছুরটির কী দশা হয়েছে, তা দেখতে সাপটির পেট কাটেন তাঁরা। কিন্তু পেট কাটার পরে যা দেখতে পান, তাতে চোখ কপালে ওঠে তাঁদের।

ঘটনাস্থল আফ্রিকার নাইজেরিয়ার একটি গ্রাম। অরণ্য অধ্যু‌ষিত এই গ্রামে সাপ এবং অন্যান্য জংলি জন্তু হানা দেয় প্রায়শই। কিন্তু এইবারের ঘটনাটি ছিল রীতিমতো চমকপ্রদ। কারণ সাপটিকে হত্যা করার পরে গ্রামবাসীরা যখন তার পেটটি কাটেন, তখন তাঁরা বুঝতে পারেন, সাপটি আদপে কোনও বাছুর বা অন্য কোনও জন্তুকে গলাধঃকরণ করেনি। বরং সাপটির পেটটা ফুলে ছিল অন্য কোনও কারণে।

গ্রামবাসীরা অজগরের পেট কেটে দেখতে পান, সেখানে সারিবদ্ধভাবে অজস্র ডিম রয়েছে। ডিমগুলি, বলা বাহুল্য, অজগরটির নিজের। ডিম পাড়ার আগেই সাপটিকে হত্যা করেছিলেন গ্রামবাসীরা। নাইজেরিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সাপটির পেট থেকে অন্তত একশোটি সারিবদ্ধ ডিম পাওয়া গিয়েছে।

নাইজেরিয়ান সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফ্রিকান রক পাইথনের দৈর্ঘ্য ২৪ ফুট পর্যন্ত হয়। এই সাপগুলি অ্যান্টিলোপ, ছাগল এবং বাছুর খেয়ে নিতে সক্ষম। কিছুকাল আগে এই ধরনের সাপের আক্রমণেই কানাডায় দু’টি শিশু এবং একটি বাচ্চা মারা গিয়েছিল।

নাইজেরিয়ার ওই গ্রামের বাসিন্দারা অবশ্য সাপ বা তার ডিমের জন্য আদৌ চিন্তিত বা দুঃখিত নন। তাঁদের একমাত্র চিন্তা, হারিয়ে যাওয়া বাছুরটা এখনও মিলল না।

সুত্রঃ এবেলা

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: