সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ম্যাডাম জাতিকে একজন আবদুল হামিদ দিয়েছেন কি?

full_1119998171_1482224004নিউজ ডেস্ক: দেশের রাজনীতি বেশ একটি উৎসবের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এমনিতেই বছরের এই সময়টি জাতীয়ভাবে আমরা নানা উৎসবের ভেতর দিয়ে যাই। ডিসেম্বর মাসটি বাঙালি জাতির জন্য সত্যিই যে উৎসবের মাস সেটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায় আওয়ামী লীগ যদি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকে। লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, আওয়ামী লীগ আমাদের জাতীয় দিবসগুলিকে অত্যন্ত সাড়ম্বরে পালন করার চেষ্টা করে থাকে কারণ এগুলোর সঙ্গে তাদের রয়েছে সরাসরি যোগ। ফলে তারা দলীয়ভাবে ও রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের আয়োজন করে থাকে দিবসগুলি। আর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূল উৎসব পহেলা বৈশাখকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন নতুন মাত্রা। বিশেষ করে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে উৎসব ভাতার প্রচলন তিনি করেছেন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তা শেখ হাসিনার অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে বিশ্বাস করি। কিন্তু আমরা এর আগে দেখেছি যে, নভেম্বর ডিসেম্বর মাস এদেশে মানুষের উৎসব পালনের পরিবর্তে নিরন্তর নির্যাতনের ভেতর দিয়ে যেতে হতো, হরতাল ও অবরোধে জাতির প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠতো। বিগত কয়েক বছর ধরে এই প্রবণতা বন্ধ হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, জাতি এই ভয়ঙ্কর যাঁতাকল থেকে মুক্তি পেয়েছে।

কিন্তু এবারের বিষয়টি একটু ভিন্ন। দেশের অন্যতম প্রধান একটি রাজনৈতিক দল তাদের স্বভাবসুলভ হিংস্রতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণ থেকে বেরিয়ে এসে একটি আলোচনামুখর পরিবেশে আগ্রহী হয়েছে, এ সত্যিই এদেশের রাজনীতির জন্য ইতিবাচক। নাহলে বিএনপি-জামায়াত এদেশে কখনও ইতিবাচক ধারার রাজনীতি করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না। জন্মের শুরু থেকেই দলটি বা এই এই প্ল্যাটফরমটি আসলে আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের বিরোধিতা করেছে সর্বাত্মক ভাবে। কখনও সেই বিরোধিতা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য গ্রেনেড হামলা কিংবা কখনও বিদেশ থেকে অস্ত্র আমদানী করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টায় পর্যবসিত হয়েছে। বিগত নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের অংশগ্রহণ না করা এবং তারপর দেশব্যাপী ভয়ঙ্কর আগুন-সন্ত্রাস চালানো আসলে কোনো ভাবেই সুষ্ঠু রাজনীতি হতে পারে না। সেই ভয়াবহ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশে যদি সামান্যতমও রাজনৈতিক সমঝোতার ঘটনাও ঘটে তাহলে সেটিকে ইতিবাচক ভাবে দেখতে হবে আমাদের।

বেগম জিয়া তার দলের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। দু’পক্ষই আলোচনা শেষে বলেছেন যে, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। এর আগেও বেগম জিয়া নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশনও কিন্তু আলোচনার ভিত্তিতেই গঠিত হয়েছিল। কিন্তু বেগম জিয়া এই নির্বাচন কমিশনকে কখনও মানেন কখনও মানেন না। যখন তাদের প্রার্থী নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন তখন মানেন, যখন পরাজিত হন তখন নির্বাচন কমিশনকে যাচ্ছেতাই বলেন। এবারও সকল দলের সঙ্গে আলোচনা-বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতি যে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন তা বেগম জিয়ার মনঃপূত হবে না, সেটা আগেভাগেই বলে দেয়া যায়। তারপরও, আমরা অপেক্ষা করতে চাই একটি নির্বাচন কমিশন গঠন হওয়া পর্যন্ত। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করতে চাই তাহলো, এই যে আওয়ামী লীগের শাসনকালে বার বার বেগম জিয়া বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলেন, আলোচনা করেন, বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে কি আওয়ামী লীগ সে সুযোগটাও পেতো?

বেগম জিয়া প্রথমবার ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রপতি করেছিলেন রাজাকার আবদুর রহমান বিশ্বাসকে। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কি তার সঙ্গে আলোচনায় বসা কোনো ভাবেই সম্ভব ছিল? ছিল না। মজার ব্যাপার হলো, বেগম জিয়া ক্ষমতায় থাকতেও যে ক’টি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিলেন সেগুলোর একটাও কি আলোচনার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল? হয়নি। তাহলে এখন কেন তিনি সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি নির্বাচন কমিশন চাইছেন? তিনিতো এম এ রউফ ও এম এ আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন উপহার দিয়েছিলেন জাতিকে। তাদের চেয়েতো বর্তমান ও সাবেক নির্বাচন কমিশন শতগুণে ভালো, একথাতো তিনি নিজেও স্বীকার করবেন, যদি রাজনৈতিক ভাবে একটু হলেও সৎ হন, নয়? কিন্তু বাংলাদেশে এখনও এই রাজনৈতিক সততার রাজনীতি শুরু হয়নি বলেই মনে হয়। তবে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, বেগম জিয়া নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে যে ১৩ দফা প্রস্তাব করেছেন তার ভেতর এই যে সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের যে প্রস্তাব তিনি করেছেন তাতে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত যে রাজনৈতিক দল সেই জামায়াতে ইসলামী থাকবে কি থাকবে না তা নিয়ে কিন্তু তার ও তার দলের পক্ষ থেকে কোনো কথা নেই। সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তার দলের নেতৃত্ব আমতা আমতা করে কি বলেন ঠিক বোঝা যায় না। কিংবা ধরুন, সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তির যে কথাটি তিনি বলেছেন, তিনি ও তার দল কি আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো বিষয়ে ঐকমত্য হবেন? যদি হন তাহলেতো আর আমাদের রাজনৈতিক জীবনে কোনো সমস্যাই থাকে না, থাকে কি? নির্বাচন কমিশনতো দূরের কথা, আমাদের জাতীয় জীবনই যে তাদের এই ঐকমত্যে একেবারে বদলে যেতে বাধ্য সেকথাটি কি তিনি বোঝেন? আশা করি বোঝেন, কিন্তু সেটি তিনি চান কি না তা আমরা এখনও জানি না।

ফিরে আসি রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে। বেগম জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক তথা প্রধানমন্ত্রীত্বের আমলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে যখন তিনি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে নির্বাচিত করেছিলেন তখনই কেবলমাত্র তিনি প্রশংসিত হয়েছিলেন। যদিও বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাজনৈতিক ভাবে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং পরবর্তীকালে টেলিভিশনে ‘কোরআন’ ও ‘গীতা’ দিয়ে জাতিকে সাম্প্রদায়িক ভাবে বিভাজনের অন্যতম রূপকার। তারপরও, তার সঙ্গে অন্ততঃ আলোচনার মতো সুযোগ ছিল। কিন্তু কী হলো? রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে অত্যন্ত নগ্নভাবে তার দলই (পড়ুন বেগম জিয়ার সুপুত্র তারেক জিয়া) বঙ্গভবন থেকেই কেবল বের করলেন তা নয়, একজন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নিজের জীবন বাঁচাতে রেললাইন ধরে দৌড়াতে হলো, পেছনে রামদা হাতে বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা। একবার ভাবুন, এইতো বিএনপি’র কাছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সম্মান। এরপর এই পদে কোনো ভদ্র ও মানি ব্যক্তি রাজি হবেন বিএনপি আমলে দায়িত্ব গ্রহণ করতে? হওয়ার কথা নয় কিন্তু হয়েছিলেন অধ্যাপক ইয়াজুদ্দিন আহমদ। তিনি শুধু রাজি হয়েছিলেন তাই-ই নয়, তিনি একটি আজিজীয় নির্বাচন দেওয়ারও সুবন্দোবস্ত করে ফেলেছিলেন। এমনকি যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে কেউ রাজি হচ্ছিলেন না তখন তিনি নিজেই সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন এবং জাতিকে মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন যে কোনো ধরনের নির্বাচন থেকে। রাজনৈতিক এই ভয়ঙ্কর টানাপোড়েনে অবধারিত ভাবে অরাজনৈতিক শক্তি আগ্রহী হয়ে উঠেছিল ক্ষমতা গ্রহণে, যেমনটি জিয়াউর রহমান আগ্রহী হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে। ১/১১ সরকারকে বলতে গেলে বেগম জিয়া নিজের হাতেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, আজকে ১/১১ সরকারকে নিয়ে অনেকেই আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হিসেবে প্রমাণ করতে চান কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, সেই সরকার সদ্য সাবেক হওয়া বিএনপি-জামায়াত সরকারের কোন কোন নেতাকে ধরেছিল বা কারাগারে নিয়েছিল? আর কতোজন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে জেলে পুরেছিল? নির্যাতন করেছিল? দুঃখজনক সত্য হলো, ১/১১-র সরকার কিন্তু চিহ্নিত রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী কিংবা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে গ্রেফতারের সাহস দেখায়নি। অথচ শেখ হাসিনা, এমনকি বেগম খালেদা জিয়াকেও গ্রেফতার করে জেলে ভরেছিল। যদিও দু’জনের কারাবাসের মেয়াদ ছিল ভিন্ন। এহেন ইয়াজুদ্দিনের সঙ্গে কি শেখ হাসিনার পক্ষে এরকম সপারিষদ দেখা করে আলোচনার সুযোগ ছিল, যেমনটি এখন বেগম জিয়া করলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে?

আসলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে মোটাদাগে পার্থক্যটি এখানেই, বিএনপি এখনও পর্যন্ত জাতিকে একজন গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রপতি দিতে পারেননি, দিতে পারেননি একজন উল্লেখ করার মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনারও। রাজাকার শাহ আজিজের মতো প্রধানমন্ত্রী, রাজাকার আব্দুর রহমানের মতো রাষ্ট্রপতি, এম এ রউফ কিংবা এম এ আজিজের মতো নির্বাচন কমিশনার যারা আসলে বিএনপি’র দলীয় কাউন্সিলেও বিএনপি নেতাকর্মীরাই তাদেরকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেবেন কিনা সন্দেহ আছে- এমন ব্যক্তিদের বাঙালি জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন বেগম জিয়া। আর সে কারণেই এখন যখন তিনি একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য হাপিত্যেশ করছেন, কেউ তার কথায় কান দিচ্ছে না, যেমনটি কান দেয়নি তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে, এখন তাকে সেই দাবি থেকে সরে আসতে হয়েছে, কারণ জনগণ তার দাবিকে আর মানছে না। কারণ তিনি নিজে হাতে এসব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সমালোচনায় অন্য অনেক কথা আমরা বলতে পারবো কিন্তু রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে এভাবে ধ্বংস করার জন্য তাকে আমরা কোনো ভাবেই দায়ী করতে পারি না। বরং রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, জিল্লুর রহমান, আবদুল হামিদের মতো ব্যক্তিদেরকে আমরা পেয়েছি শেখ হাসিনার কল্যাণে রাষ্ট্রের প্রধান অভিভাবক হিসেবে, নির্বাচন কমিশনও যদি দেখি তাহলে এম এ সাঈদ কিংবা আবু হেনার মতো নির্বাচন কমিশনারও শেখ হাসিনার হাত ধরে এসেছে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকেও আমরা কোনো ভাবেই দলীয় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ঢালাও মন্তব্য করতে পারি না। কারণ তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন নির্বাচন ব্যবস্থাকে কলুষমুক্ত রাখতে, অন্ততঃ ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো নির্বাচন কিংবা মাগুরা উপনির্বাচনের চেয়েতো বটেই। সবচেয়ে বড় কথা হলো, বিএনপি নির্বাচনে সেনা নিয়োগ করার জন্য বার বার দাবি জানায়, আমাদের ভুললে চলবে না যে, মাগুরা উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল, কিন্তু ফলাফল কী হয়েছিল? উল্টো নির্বাচন শেষে সেনা বাহিনীর ওপর দোষ দেওয়া হয়েছিল সকল পক্ষ থেকে। বেগম জিয়াতো সেনা বাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতাও দিতে চান চোখ বন্ধ করে, কারণ তিনি এই প্রতিষ্ঠানটিকেও ধ্বংস করে দিতে চান, যাতে রাষ্ট্রপতি, নির্বাচন কমিশনের মতো সেনা বাহিনীও তার রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে গিয়ে তার সকল অপকর্মকে বৈধতা এনে দিয়ে তারই মতো জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিতর্কিত হয়। আমার মতে, বেগম জিয়ার এই ‘মামা বাড়ির আব্দারকে’ বিবেচনায় নেওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির উচিত হবে বিষয়টি বিষদ চিন্তাভাবনা করা এবং সকল প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার বিষয়টিকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেওয়া।
সাংবাদিক, কলামিস্ট।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: