সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ত্রাণ পৌঁছাবে উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্স!

220413robot-ambulance-kalerkantho-picনিউজ ডেস্ক:: যুদ্ধ বিধ্বস্ত, দুর্গত, বিপন্ন, অসহায় জনপদের কাছে ত্রাণ সাহায্য পৌঁছাতে একমাত্র ভরসা হেলিকপ্টার। শুধু ত্রাণ পৌঁছাতে নয় হেলিকপ্টার দুর্গতদের উদ্ধারে ব্যবহার করা হয়। তাই বলে উড়ন্ত রোবট অ্যাম্বুলেন্স। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। এটি আসলে রোবট চালিত উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্স (এএফআরএ)। সর্বাধুনিক এই উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্সটি চালাবে।

রণক্ষেত্র বা বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, টর্নোডো, সুমানির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেখানে হেলিকপ্টার হয়ে উঠতে পারে ত্রাণ পৌঁছানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। তবে এখন থেকে হেলিকপ্টার ছাড়াও এখন থেকে এসব বিপদে পাশে পাওয়া যাবে উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্সকে। পাওয়া যাবে বিপন্ন, অসহায় মানুষের পাশে।
বিশ্বের অনেক জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে কাজ করছে। এই উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্স অসহায় লোকজনকে খুঁজে তাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেবে। এই কাজটা মানুষ্য চালিত হেলিকপ্টারের চেয়েও অনেক বেশি দ্রুত গতিতে আর নিখুঁতভাবে করবে রোবট চালিত অ্যাম্বুলেন্স। উড়ন্ত এই যানটি তৈরি করেছে ইসরায়েলি সংস্থা ‘আরবান অ্যারোনটিক্স’।

এ সংস্থার অপারেশন ম্যানেজার ও প্রযুক্তিবিদ মঞ্জুলা থাপার বলছেন, ১ ডিসেম্বর এই উড়ন্ত অ্যাম্বুলেন্সটিকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম উড়ানো হয়। ফ্লাইং রোবটিক অ্যাম্বুল্যান্সটির প্রথমে নাম দেওয়া হয়েছিল ‘এয়ারমিউল’। পরে এ নাম বদলে দেওয়া হয়েছে ‘করমোর‌্যান্ট’। ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়লে মানুষও এই যানটি চালাতে পারবে। এতে বহন করা যাবে ভারী যন্ত্রপাতি। এর ভেতরে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনা বা দুর্যোগকবলিত লোকজনের অপারেশনও করা যাবে।
তিনি আরো জানা, আগের মডেলটিতে পাইলট বসার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। নতুন মডেলের উড়ন্ত অ্যঅম্বুলেন্সে সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তবে এ যানের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনাস্থল অসমতল হলে সেখানে এই উড়ন্ত যানটি নামার ব্যাপারে প্রযুক্তিগত বাধা রয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অবশ্য সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। অসুবিধার পাশাপাশি কিছু সুবিধাও আছে। সুবিধা মধ্যে যেমন, যুদ্ধক্ষেত্রে হেলিকপ্টার শত্রুপক্ষের নজর এড়াতে পারে না। তবে এই যানটি শত্রুর চোখকে ফাঁকি দিতে পারবে। কোনো গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের দরকারই পড়বে না। কোনো জায়গায় নামার অনুপযুক্ত হলে যানটি আপনাআপনি নিরাপদ ল্যান্ডিং রুট খুঁজে নেবে। এই যানটির ভেতরে রয়েছে লেজার অলটিমেটারস, রাডার ও সেন্সরস। শুধু তাই নয়, আকাশে উড়তে উড়তে সেন্সরগুলো যদি হঠাৎ সিগন্যাল পাঠানো বন্ধ করে দেয় তাহলেও সঠিকভাবে চালিয়ে যেতে পারবে। এমনকি আকাশে ভেসে থাকার ক্ষমতা রয়েছে এই যানের। সূত্র: ইয়াহু।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: