সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ : খাদিজাকে রক্ষা করতে গেলে চাপাতি নিয়ে ধাওয়া করে বদরুল

1-daily-sylhet-0-9nডেইলি সিলেট ডেস্ক:: সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিসকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের বিরুদ্ধে ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সিলেট মূখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতির কোপে কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস হত্যাচেষ্টার একজন প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ফাহমিদা এলাহী বৃষ্টি আদালতে জানিয়েছেন, “কিছু ছাত্র খাদিজাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে বদরুল তাদের চাপাতি নিয়ে ধাওয়া করে।”

আজ সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে স্বাক্ষ্য দেয়ার সময় বৃষ্টি একথা জানান। তিনি এই মামলার দশম স্বাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।

পরে ঐদিনের হামলার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বৃষ্টি বলেন, “আমার ক্যাম্পাস কলংকিত করেছে বদরুল। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
আজ এমসি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও আহত অবস্থায় খাদিজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কলেজ শিক্ষার্থী ইমরানও আদালতে স্বাক্ষ্য দেবেন।
এর আগে বেলা ১১ টার দিকে বদরুলকে আদালতে তোলা হয়। খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় আজ মোট ১৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
গত ২৯ নভেম্বর চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৫ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো। ওইদিন একমাত্র বদরুল আলমকে (২৯) অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র গঠন করা হয়।

এ মামলায় সাক্ষী মোট ৩৭ জন। এর বাইরে মামলার বাদীও সাক্ষ্য দেবেন। মামলার চার্জশিটে দ্বিতীয় সাক্ষী হচ্ছেন খাদিজা বেগম নার্গিস। আজ প্রথমদফার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পরবর্তীতে টানা সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খাদিজার ওপর হামলার পর মামলা হওয়ার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় শাহপরান থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ গত ৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেন। ১৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোপত্রের শুনানি শেষে তা গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হন খাদিজা। প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর সেখান থেকে ৪ অক্টোবর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে এনে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়। স্কয়ার হাসপাতালে প্রথম দফায় নার্গিসের মাথায় ও পরে হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। তার অবস্থার একটু উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। এরপর আইসিইউ থেকে এইসডিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ২৬ অক্টোবর তাকে কেবিনে নেওয়া হয়। এরপর আবারো মাথায় ও হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে অনেকটা ভালো অবস্থায় রয়েছেন খাদিজা।

হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে বদরুল আলম আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা। আদালতে হামলার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন বদরুল। হামলার দায়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিস্কার করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: