সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মহাকাশে ৭ হাজার টন বর্জ্য : পরিস্কারের উদ্যোগ

mohakash-550x367আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ১৯৫০ এর আগে মহাকাশে যাওয়ার কথা কল্পনাও করা যেত না। কিন্তু গত কয়েক দশকে সেই কল্পনাকে অতিক্রম করে আবিষ্কার হচ্ছে অজানা বহু তথ্য। কেবল পৃথিবীতে যোগাযোগ প্রসার হয়েছে তা নয় বরং আমরা চলে গেছি সুদূর মহাকাশেও।
কিন্তু শঙ্কার বিষয় হলো, যখনই মাহাকশে কোন স্যাটেলাইট স্থপান করা হয়েছে তখন সেখানে রেখে এসেছে কিছু বর্জ্য। যা ক্রমেই স্তুপ হয়ে বাড়ছে। এসব বর্জ্য সেখানে খুব দ্রুত গতিতে ছোটাছুটি করছে। বিজ্ঞানীর বলছেন, এসব বর্জ্য ভবিষ্যতের যেকোন অভিযানের জন্যেও হুমকি হয়ে উঠছে। মহাকাশে বর্তমানে আবর্জনার পরিমাণ প্রায় সাত হাজার টন।

ব্রিটেনে সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. হিউ লুইস বলেছেন, এসব বর্জ্য বিভিন্নভাবে সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মিশন চালনোর ফলেও এগুলো তৈরি হয়েছে। সেখানে পাঠানো যেকোন মহাকাশ যান শেষ পর্যন্ত বর্জ্যে পরিণত হতে পারে।

তিনি বালেন, ‘অনেকেই বলছেন, ইতোমধ্যেই মহাকাশের আবর্জনা ধারণ করার ক্ষমতার সীমা পার হয়ে গেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে অনেক সংঘর্ষ হতে পারে। আমরা মনে হয়, এই ধারণা প্রমাণ করার জন্যে তথ্যপ্রমাণ এখনও মানুষের হাতে এসে পৌঁছেনি। তারপরেও বলবো, মহাকাশের এই দূষণ এমন এক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে এখন তার একটু যত্ন করা উচিত।’

অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন মহল মহাকাশ দখল করার যুদ্ধে অনবরত লিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়তই মহাকাশ দূষণ করে আসছে। এবার প্রয়োজন মাহাকাশকে আবর্জনা মুক্ত করা। বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ১০ সেন্টিমিটারেরও বেশি প্রশস্থ ২২ হাজারেরও বেশি স্পেস আবর্জনার ওপর নজর রাখছেন।
যুক্তরাজ্যে সারি স্পেস সেন্টার আগামী বছরে এরকম একটা উচ্চাকাক্সক্ষী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এটি হবে পরীক্ষামূলক। প্রথমে তারা একটি যান পাঠাবে মহাকাশে। তারপর ওই যান থেকে ছুড়ে ফেলা হবে বিশেষভাবে তৈরি কিছু বর্জ্য। এবং পরে সেখানে জাল ফেলে ওই বর্জ্যটি ধরার চেষ্টা করা হবে।

এর উদ্দেশ্য হচ্ছে- পৃথিবীর কক্ষপথে পড়ে থাকা একটি স্যাটেলাইট ধরার কাজ কতোটা সহজ বা কঠিন সেটি পরীক্ষা করে দেখা। সারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এরকম আরো কিছু পরীক্ষা চালাবেন।

তার একটি হবে মহাকাশেই এই আবর্জনাকে ধ্বংস করে ফেলার পরীক্ষা। এই প্রকল্পেরই একজন বিজ্ঞানী ড. জেসান ফরশো বলছেন, ‘এই পরিচ্ছন্নতার অভিযান নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজনা বোধ করছি।’

আশঙ্কা করা হচ্ছে হচ্ছে, বর্তমান যে হারে মহাকাশ দূষণ চলছে এমনভাবেই যদি চলতে থাকে, কোন কার্যকরি পদক্ষেপ যদি না নেওয়া হয় তবে পৃথিবীর ওপরে বড়ো রকমের ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।- বিবিসি বাংলা

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: