সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সব সহ্য করেও সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম: সালমা

salma1_32236_1480331840-1বিনোদন ডেস্ক:: ২০০৬ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান : তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারকখ্যাতি পান সঙ্গীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ২০০৯ সালে দিনাজপুরের একটি গানের আসরে সালমাকে দেখে পছন্দ করেন ওখানকার স্বপ্নপুরি শুটিং স্পটের মালিক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক। সে পছন্দ থেকে প্রেম চলে প্রায় দুই বছর। ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি পারিবারিকভাবেই সালমাকে বিয়ে করেন শিবলী। তাদের পরিবারে রয়েছে ৪ বছর বয়সী কন্যাসন্তান স্নেহা। ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়েছে সালমা-শিবলীর। সংসারের ভাঙন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সালমা

*সবাই জানত আপনারা ভালো আছেন। কিন্তু হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের কারণ কী?

**হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। সম্পর্কের টানাপড়েন চলছিল দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে। বিয়ের এক বছর পর থেকেই আমার গান করা নিয়ে তার আপত্তি শুরু হয়েছিল। এক সময় সংসার বাঁচাতে অনেক কিছু মেনে নিয়ে গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো। তাকে বুঝাতে না পেরে গত চার-পাঁচ মাস ধরে মায়ের বাসায় আলাদা থাকছি। শেষ পর্যন্ত পারিবারিক সিদ্ধান্তে ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্কের ইতি টানতে বাধ্য হয়েছি।

*কিন্তু গান দিয়েই তো আপনাদের পরিচয় হয়েছিল। তাহলে পরবর্তী সময়ে শিবলী সেটা মেনে নেননি কেন?

**সেটা একান্তই তার মতামত। আমি বলতে পারব না। তবে সত্যি বলতে কি, আমরা দু’জনই আলাদা জগতের মানুষ। সেটা জানার পরও আবেগের বসে বিয়ে করেছিলাম। এখন মনে হয়, বিয়ের এ সিদ্ধান্তটাই ভুল ছিল। অল্প বয়সে না বুঝেই জীবনের এত বড় ভুলটি করে ফেলেছিলাম।

*ঘনিষ্ঠজনদের কাছে শিবলীর অন্য দুর্বলতার কথাও শোনা গেছে…

**সে সব এখন আমি আর বলতে চাইছি না। আমি অনেক কিছু দেখেছি। দেখে, শুনে সে সব সহ্য করে চেষ্টা করেছিলাম সংসার টিকিয়ে রাখতে। শেষ পর্যন্ত পারিনি।

*আপনাদের চার বছর বয়সী মেয়ে আছে। সে এখন কার কাছে থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে?

**প্রথমে মেয়েটা কিছুদিন আমার সঙ্গেই ছিল। কিন্তু পরে শিবলী এসে নিয়ে গেছে। তারপর অনেকদিন মেয়েটাকে দেখার সুযোগ পাইনি। সে জোর করেই আমার ছোট্ট মেয়েটাকে তার কাছে রাখছে। এখন সপ্তাহে তিনদিন আমার কাছে থাকবে বলে সিদ্ধান্তই নেয়া হয়েছে।

*প্রেমের বিয়ে হলেও এমন পরিণতির কারণ কী?

**তার ভাষ্য, আমাকে সে আর মেনে নিতে পারছে না। আমার সঙ্গে থাকতে চায় না। এমপি হওয়ার পর তার এমন পরিবর্তন আমিও মেনে নিতে পারছিলাম না। তাছাড়া বিষয়টি যখন আমাকে ডিঙ্গিয়ে আমার মা-বাবার ওপরও গিয়ে পড়ে, তখন এ সিদ্ধান্ত ছাড়া কিছু করার ছিল না। আমার বাবা-মার সঙ্গে খুবই দুর্ব্যবহার করতো সে। মেয়ে হিসেবে বাবা-মায়ের অপমান আমি সহ্য করতে পারছিলাম না।

*বিষয়টি নিয়ে তো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারতেন। তা না করে বিচ্ছেদ কেন?

**কথা তো একই। আইনি ব্যবস্থা নিলেও তো বিচ্ছেদের দিকেই এগুতে হতো। তাছাড়া সে যেহেতু এমপি, তার অনেক ক্ষমতা। আমি চাইলেও অনেক কিছু করতে পারব না। তাছাড়া সন্তান বা আমার কিছু হলে তখন আমাদের পাশে কেউ থাকবেন না। অনেক কিছু চিন্তা করেই আইনি কোনো পদক্ষেপ নেইনি। আপোষের মাধ্যমে আমরা আলাদা হয়েছি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: