সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে বিনা চিকিৎসায় মুত্যুর কাছে হার মানলেন এক রেল কর্মচারী !

1-daily-sylhet-0-10হাবিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ::  হাসপাতালে চিকিৎসকের অপেক্ষার প্রহর গুনে শেষ পর্য্যন্ত বীনা চিকিৎসায় মুত্যুর কাছে হার মানলেন এক রেল কর্মচারী। বিসিআইসির সুনামগঞ্জের শিল্পনগরী ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী হাসপাতালে রোববার রাতে এক রেল কর্মচারী বীনা চিকিৎসায় মুত্যুবরণ করলে হাসপাতালে চিকিৎসককে নিহতের পরিবারের লোকজন ও রেল কর্মচারীরা লাঞ্চিত করে কবিতার সেই সফধর ডাক্তার খ্যাত ওই চিকিৎসকে আটকে রাখে বেশ কয়েকঘন্টা।

ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী রেলওয়ে পরিবহন কর্মচারীদের সুত্রে জানা যায়, উপজেলার নোয়ারাই ইসলামপুর এলাকার ও ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী রেলওয়ে পরিবহন শাখার রুহুল আমিন (৪৬) বুকের ব্যাথা নিয়ে রোববার বেলা পৌণে ১২টার দিকে সিমেন্ট ফ্যাক্টরী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।

হাসপাতালে এসে ডাক্তারকে না পেয়ে মোবাইল ফোনে বেলা ১২টার দিকে রুহুল আমিন নিজেই তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ছাতক শহরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসে ব্যস্ত থাকা ডা. আব্দুল হাকিম রুহুল আমিনকে অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা ডাক্তারের অপেক্ষা করে রোববার বেলা ৩টা ২০ মিনিটের সময় চিকিৎসকের অপেক্ষার পালা অতিক্রম করে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন রেল কর্মচারী রুহুল আমিন।

ডা. আব্দুল হাকিমের কর্মস্থল ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী হলেও তার দায়িত্বে অবহেলা ও প্রাইভেট প্র্যাক্টিসে ব্যস্ততার কারনে রোগীর ফোন পাবার পরও সাড়ে ৩ ঘণ্টা পরে ডা. আব্দুল হাকিম হাসপাতালে পৌঁছলে রোগীর স্বজন সহকর্মী কর্মচারীরা উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালের ভেতর ওই ডাক্তারকে আব্দুল হাকিমকে লাঞ্ছিত করে হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখে। খবর পেয়ে ফ্যাক্টরীর (ভারপ্রাপপ্ত) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসপাতালে পৌছে ডাক্তারকে মুক্ত করেন।
ঘটনার পর পরই ডা. আব্দুল হাকিম হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় চলে যান। তার বক্তব্য জানতে তার ব্যাক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাঈদ রোববার রাতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, চিকিৎসক দেরীতে আসায় বিনা চিৎিসায় ওই রেল কর্মচারী মারা গেছেন বলে রোগীর স্বজনরা যে অভিযোগ তুলেছেন তা সঠিক। তিনি আরো বলেন, নিহতের স্বজনরা উক্তেজিক হয়ে চিকিৎসককে লাঞ্চিত ও আটকে রাখার খবর পেয়ে আমি নিজেই হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে চিকিৎসককে বাসায় পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: