সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

1-daily-sylhet-0-3হাবিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ:: দেখতে দেখতে দরজায় কড়া নাড়লো শীত। আর শীত মানেই প্রশান্তির ঘুমের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ঋতু। তবে সেই প্রশান্তির ঘুমের সঙ্গে শীতকে মোকাবেলা করে ঘুমাতে প্রয়োজন শীতবস্ত্রের। সেই শীত বস্ত্রের সবচেয়ে পছন্দের তালিকায় থাকে লেপ। আর তাই শীতের শুরুতেই ব্যস্ততা বেড়েছে জামালগঞ্জের লেপ-তোষকের কারিগররা।

এ বিষয়ে কথা হয় জালাল বেডিং এর মালিক নবী হোসেনের সাথে তিনি জানান, কয়েকদিন যাবত রাতে শীত বেশি পড়ায় লোকজন শীত বস্ত্রের প্রতি ঝুকছে। প্রতিদিন ১০-১২টি লেপ তোষকের অর্ডার হয়ে থাকে।

আর আমাদের কাছে আসছে লেপ-তোষক তৈরি করতে। তবে এবছর তুলা ও কাপড়ের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়াই গত বছরের তুলনায় এ বছর খরচ বেশি হচ্ছে।যেমন- শিমুল তুলা প্রতি কেজি ৩৫০থেকে৪০০ টাকা,কার্পাস তুলা২০০থেকে ২৫০ টাকা,গার্মেন্টস তৈরি কালো হুল –কালা পচা তুলা ৫০থেকে ৬০ টাকা,সাদা তুলা ৭০থেকে ৮০ –টাকা ক্রয় করি আমরা। এ ছাড়াও কাপড়ের গজ মান অনুযায়ী প্রতি ৪৫ থেকে ৬০ টাকা। আকার ভেদে মজুরি ও ২২০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। সব মিলিয়ে ভাল মানের একটি লেপ বানাতে ১৫শ থেকেে ২ হাজার টাকার মত খরচ আসে।একই মানের একটি তোষক খরচ আসে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা।

সাচনাবাজারের লেপ-তোষক ব্যবসায়ী ইউনুছ মিয়া প্রতিবেদককে জানান, বছরের অন্যান্য সময় মাসে ২ থেকে ৪ জন তোষক কিনতে আসলেও লেপের চাহিদা একেবারেই থাকে না। শীতের শুরু থেকেই লেপ ও তোষক বিক্রি হয়ে থাকে। সব থেকে বেশি বিক্রি হয় লেপ। যে কারণে চাহিদার কথা মাথায় রেখে লেপ সেলাই কর্মীদের সংখ্যাও বাড়াতে হয় কয়েক গুণ। একটি ভালো মানের লেপ ১২ শ থেকে ১৫শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে।
আর এ ব্যস্ততার মাঝে এখন অলস সময় কাটানোর একদম ফুসরত নেই তাদের। শীত মৌসুম এলেই অত্যন্ত ৪টি মাস তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। তাই তারা অন্য সময়ের রোজগার পুষিয়ে নিতে এই চার মাস কাজ করেন সমান তালে। বাকি আট মাস এ কাজের চাহিদা না থাকায় লেপ সেলাই কর্মীরা জীবিকা নির্বাহের জন্য অন্য কাজ করে থাকেন। কেউ নেমে পড়ে রিকশা-ভ্যান চালাতে, কেউ মাঠে দিন মজুরের কাজ নেয়, আবার কেউ কেউ তাদের সুবিধা মতো বেছে নেয় অন্য পেশা।

লেপ-তোষক সেলাই কর্মী রুবেল মিয়া বলেন,প্রতিদিন তিনি পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ সেলাই করে থাকেন। সাইজ অনুযায়ী প্রতিটি লেপে তিনি মুজরি পান ১০০থেকে ১২০ টাকা।আর সেলাই কর্মীরা সবাই একই নিয়মে মুজরি নিয়ে থাকেন।

অপর সেলাই কর্মী তাজুল ইসলাম বলেন, শীতের সময়ে সেলাই কাজ করলে অত্যন্ত ৪টি মাস কোথাও অন্য কাজের সন্ধান করতে হয় না। ছায়ায় বসে সেলাইয়ের কাজ করতে বেশ ভালোই লাগে। দিন শেষে চার থেকে পাঁচ শত টাকা রোজগার হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: