সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মায়ের লাঠির জোরে বাঁচল ৭ সদস্যের পরিবার

1479789154আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের উত্তরপ্রদেশে ইন্দোর-পাটনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত হওয়ার দিন এক বৃদ্ধা মায়ের লাঠির কল্যাণে প্রাণে বেঁচেছেন মুজাফরপুরের এক পরিবারের সাত সদস্য।

পাটনা-ইন্দোর এক্সপ্রেসে করে নিজের বাড়ি পাটনায় যাচ্ছিলেন বিহারের মুজাফরপুরের বাসিন্দা মনোজ চৌরাশিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন তার মা-সহ আরও ৫ জন।

ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার পর বি এস১ কামরায় তার গোটা পরিবার আটকে যায়। চৌরাশিয়া জানান, তার মায়ের হাঁটার লাঠি সেদিন তার পরিবারের ৭ সদস্যের প্রাণ বাঁচিয়েছিল।

চৌরাশিয়ার ভাষ্য, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কামরায় আটকে যায় সাত সদস্যের সকলেই। দমবন্ধ হয়ে আসার উপক্রম। মৃত্যুকে এত সামনে থেকে দেখে কী করবেন বুঝতে পারছিলেন না কেউ-ই। কিন্তু প্রাণ বাঁচার তাগিদে এক সময় মাথায় বুদ্ধি আসে। মায়ের হাঁটার লাঠি দিয়ে জানলার কাঁচ ভেঙে ফেলেন তারা। এরপর একে একে বিপর্যস্ত কামরা থেকে বেড়িয়ে আসেন সবাই। দুর্ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যে কামরা থেকে পরিবারের সদস্যরা বেড়িয়ে আসেন।

চৌরাশিয়ার মা ঘটনায় এতটাই বিপর্যস্ত যে, এই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারেননি। চৌরাশিয়ার স্ত্রী নন্দিনী জানিয়েছেন, তাদের কামরায় উপস্থিত বেশ কয়েকজন যাত্রীর দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় অল্পের জন্য তারা মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গিয়েছেন।

এরপর বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলে সেটা করে তারা পাটনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

শনিবার ভোররাতে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে পাটনা-ইন্দোর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪৫। আহতের সংখ্যা ২০০ বেশি। কানপুরের পুখারিয়া স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যায় ট্রেনের চোদ্দটি কামরা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: