সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সূচির নোবেল কেড়ে নেয়ার দাবিতে সরব দুনিয়া

r-1-715x400আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্য যেন এখন রীতিমতো নরক। নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের। পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে তাদের ঘরবাড়ি-আবাসস্থল। ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন বহু নারী। অসহায় রোহিঙ্গাদের যেন কেউ নেই। মিয়ানমার সেনাবাহিনী যখন এই নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে তখন দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছে আং সান সুচি। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এখন অশান্তির কাণ্ডারি। তার এমন আচরণে নিন্দার ঝড় উঠেছে দেশে দেশে। দাবি উঠেছে যেন তার নোবেল কেড়ে নেয়া হয়।
সুচির নোবেল ফিরিয়ে নেয়ার জন্য অনলাইনে এক আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন হাজার হাজার মানুষ। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ব্যাপক মানবাধিকার হরণের ঘটনার ব্যাপারে কোনো অবস্থান নিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয় এ আবেদনে। চেঞ্জডটঅর্গ-এ এই আবেদনে ইতিমধ্যে সই করেছেন লক্ষাধিক মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়া থেকে এ আবেদনটি জানানো হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শান্তি এবং ভ্রাতৃত্ববোধ রক্ষায় যারা কাজ করেন, তাদেরই নোবেল শান্তি পুরস্কারের মতো সর্বোচ্চ পুরস্কার দেয়া হয়। সুচির মতো যারা এই পুরস্কার পান, তারা শেষদিন পর্যন্ত এই মূল্যবোধ রক্ষা করবেন, এটাই আশা করা হয়। যখন একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী শান্তিরক্ষায় ব্যর্থ হন, তখন শান্তির স্বার্থেই নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির উচিত এই পুরস্কার হয় জব্দ করা, নয়তো ফিরিয়ে নেয়া। বাংলাদেশেও বহু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য লিখে সুচির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয়ে পালিয়ে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে রোহিঙ্গারা। টেকনাফের স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তরক্ষীদের কড়া পাহারা সত্ত্বেও গোপনে তাদের প্রবেশ চেষ্টা অব্যাহত আছে। বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। কিন্তু মিয়ানমারকে কেন চাপ দেয়া হচ্ছে না? শরণার্থী বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রামরুর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সি আর আবরার বলছিলেন, মিয়ানমারকে যতটা চাপ দেয়া প্রয়োজন ততটা দেয়া হচ্ছে না। শুধু সে কারণেই এ সমস্যা জিইয়ে ছিল এবং অবস্থা এখন আরো খারাপ হচ্ছে। অতীতে চীনের কিছুটা চাপ ছিল। এখন সেটাও নেই বলছিলেন মি. আবরার। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের কমিশন রোহিঙ্গা ইস্যুতে খুব একটা কাজ করতে পারবে বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। মি. আবরার বলছিলেন, আন্তর্জাতিক কমিউনিটি সময় নেয়ার জন্য এমন কমিশন গঠন করা হচ্ছে। তবে মূল উৎস রাষ্ট্র হিসেবে মিয়ানমারের প্রধান দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: