সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জামালগঞ্জে ৩ চাঁদাবাজকে আসামী করে থানায় পুলিশী মামলা

daily-sylhet-mamlaজামালগঞ্জ প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর সুরমা নদীতে মালবাহী ভাল্কহেড, কার্গো, ষ্টিল বডি নৌকা, সাধারণ নৌকায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি ঘটনায় ৩ জন কে আসামী করে জামালগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। জামালগঞ্জ থানার এএসআই মুসলেহ উদ্দিন বাদী হয়ে উপজেলার সাচনাবাজর ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের চাঁদাবাজ সুভাষ মিয়া (৩০), পিতা-মৃত বাজাইরা (ডাকনাম), শাহজাহান, পিতা-মৃত সমুজ আলী ও একই ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের আঞ্জব আলীর পুত্র তোফাজ্জল কে আসামী করে মাললা দাযের করেন। মালমলা নং-৯ (তারিখ-১৮.১১.২০১৬ ইং)। তবে এলাকাবাসী বলছে চাঁদাবাজদের মুল হোতারা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

জানা যায়, জামালগঞ্জ থানার দুই কিলোমিটার অদুরে দুর্লভপুর সুরমা নদী ও রক্তি নদীতে চলন্ত মালবাহী নৌকায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি খবর পেয়ে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। দুর থেকে পুলিশ কে দেখেই চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়। চাঁদাবাজদের ধরতে না পেরে তাদের নৌকায় আটক করে জামালগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। ঐদিন রাত্রে চাঁদাবাজদের খুঁজ নিয়ে পুলিশ বাদি হয়ে জামালগঞ্জ থানায় মামলা করে। অপর দিকে জামালগঞ্জের গজারিয়া এলাকার শ্রীমন্তপুর নদীতে ওই এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ চক্র চাঁদা আদায় করছে বলে জানা গেছে। মামলার আইও এসআাই মোা:ওয়াহিদ বলেন, আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত আছে। থানার অফিসার ইন-চার্জ মো: অতিকুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কোন চাঁদাবাজকেই ছাড় দেয়া হবেনা। যারাই চাঁদাবাজি করুক সঠিক তথ্য প্রমান পেলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সুনামগঞ্জের নদী পথে চাঁদাবাজি বন্ধে নৌ-শ্রমিকদের লাগাতার ৫ দিন ব্যাপী নৌ-ধর্মঘটের বিষয়টি ছিলে জেলার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও আঞ্চলিক দৈনিকে বেশ ক’দিন ধরে ফলাও করে প্রচার হতে থাকলে উর্দ্ধতন পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি পড়ে সুনামগঞ্জের নদী পথে। সিলেটের উপ-সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিশনাল ডিআইজি) মো: নজরুল ইসলাম চাঁদাবাজি বন্ধের কঠোর ব্যবস্থা নিতে জামালগঞ্জ থানায় এসে স্থানীয় পুলিশ প্রসাশন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরক’দিন যেতে না যেতেই আবারো দুর্লভপুর রক্তি নদী ও গজারিয়ার শ্রীমন্তপুর নদীতে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে চিহ্ণিত চাঁদাবাজরা। পুলিশের সক্রিয় ভুমিকায় সুরমা নদী থেকে চাঁদাবাজদের নৌকা আটক করলেও, চাঁদাবজরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার ছুরত আলম জানান যেখানেই চাঁদাবাজী হয় সেখানেই পুলিশ কঠোরহস্থে দমন করবে। চাঁদাবাজীর ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন জিরো ট্রলারেন্স। গণমাধ্যামকর্মী এলাকার সর্বস্তরের জনগণের সহায়তায় চাঁদাবাজদের নির্মূল করতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: