সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৮ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চাঁদাবাজী রুখতে শেষ পর্যন্ত পুলিশই ব্যর্থ…

1-daily-sylhet-0-11হাবিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ :: শেষ পর্যন্ত পুলিশও ব্যর্থ হলেন নদী পথে চাঁদাবাজী বন্ধে। বার বার নৌযান শ্রমিকরা নৌ ধর্মঘট করেও তাদেও ভাগ্য থেকে চাদাঁবাজী বন্ধে কথাটি মূছতে পাছেন না। এমন মূখরোচক আলোচনা ও সমলচনা জামালগঞ্জের উপজেলা সর্বত্র এখন সমলোচনার ও মানুষের মুখে-মুখে হাট বাজার ও চায়ের দোকানে আলোচনার কেন্দ্র বিন্ধুতে পরিণত হয়েছে। ক’দিন পূর্বে সুনামগঞ্জের নদী পথে চাঁদাবাজি বন্ধে নৌ-শ্রমিকদের লাগাতার ৫ দিন ব্যাপী নৌ-ধর্মঘটের বিষয়টি ছিলো জেলার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

সাম্পতিক সিলেটের উপ-সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিশনাল ডিআইজি) মো: নজরুল ইসলাম চাঁদাবাজি বন্ধের কঠোর ব্যবস্থা নিতে জামালগঞ্জ থানায় এসে স্থানীয় পুলিশ প্রসাশন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এর ক’দিন যেতে না যেতেই আবারো দুর্লভপুর রক্তি নদীতে এনামূল বাহিনী ও গজারিয়ার শ্রীমন্তপুর ও বৌলাই নদীতে শুক্কুর বাহিনী প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে।

গত ৪ দিন যাবত জামালগঞ্জ থানার দুই কিলোমিটার অদুরে দুর্লভপুর সুরমা নদী ও রক্তি নদীতে চলন্ত মালবাহী ভাল্কহেড, কার্গো, ষ্টিল বডি নৌকা, সাধারণ নৌকায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে যেতে না যেতেই চাঁদাবাজরা গা ঢাকা দেয়। চাঁদাবাজদের ধরতে না পেরে যে নৌকায় তারা চাঁদাবাজি করতো, ওই নৌকা অটক করে জামালগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। কারা এর সাথে জড়িত পুলিশ তা জেনেও তাদেরকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে রাখছে বলে এলাকাবাসীর মনে নানান প্রশ্ন উকি দিচ্ছে। এলাকাবাসী বলছে পুলিশ আন্তরিক হলে ওদের ধরা তেমন কোন কঠিন কাজ না।
সুনামগঞ্জ মালবাহি নৌযান শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী তালুকদার বলেন, রক্তিতে খালি বডি নৌকা ডুকলেও ১ থেকে দেড় হাজার টাকা আদায় করে চাঁদাবাজরা।

দুর্লভপুর খেয়া ঘাটে মালামাল উঠা নামার সময় নোঙ্গর করা জাহাজ ও নৌকা থেকে ৫০-৭৫ টাকা করে টোল নেয়ার কথা, কিন্তু ইজার নাম করে কথিত চাদাবাজ এনামূল হক পাঠান তার চাদাবাজ চক্রকে ব্যবহার করে প্রকাশ্য চাদা আদায় করছে এ যে অপেন সিক্রেটের মত সুরমা নদীতে মালবাহি চলন্ত প্রতি নৌকা থেকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে ৫ শত থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে চাঁদাবাজ চক্রটি।

দুর্লভপুর খেয়া ঘাটের ইজারাদার এনামুল হক পাঠানকে বার বার ফোন দিলে তিনি রিসিপ না করে লাইন কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেনে।০১৭৪০৯৪৩০৫১।
চিহিত চাদাবাজ চক্রের মূল হোতা শুক্কুর আলীর বলেন, আমি এখন বিগত কয়েকে মাস যাবত এগুলা বাদ দিয়ে দিছি।এক সময় করতাম তবে এ টাকা আমি নিজে খাইতে পারিনাই কয়েকজন দলীয় নেতা সহ আরো এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের দিতে গিয়ে সারাদিন শেষে সন্ধ্যায় খালী হাতে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।
সাচনাবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম বলেন,আমার ইউনিয়নে এরকম চাদাবাজী আমি মেনে নিতে পারিনা।এব্যপাওে তিনি পুলিশকে আগে সচেতন হতে হবে।তিনি আরো বলেন পুলিশ ইচ্ছে করলে চাদাবাজদেও গ্রেফতার করতে পারে।চাদাবাজদেও ধওে এনে আইনানুগ ব্যবস্থ গ্রহনের দাবি জানান।
থানার অফিসার ইন-চার্জ মো: অতিকুর রহমান বলেন, সুরমা নদীতে চাঁদাবাজির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চাঁদাবাজরা যে নৌকা দিয়ে চাঁদাবাজি করে তা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ওই নৌকা আটক করে জামালগঞ্জ থানায় রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার(দিরাই সার্কেল)মোহাম্মদ সুরুত আলম বলেন, চাঁদাবাজদের সাথে কোনো আপোষ নেই, এ ব্যাপারে আমরা কঠোর নজরদাড়ি করছি। যারা চাঁদাবাজি করবে তাদেরকে ধরে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: