সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

full_1804752421_1479363572বিনোদন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার জন্মদিন আজ। ১৯৫২ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সিলেটে। তার বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমিনা লায়লাও ছিলেন সংগীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী। তার যখন আড়াই বছর বয়স তার বাবা রাজশাহী থেকে বদলি হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে যান। সে সূত্রে তার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে। তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সংগীতের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশের বাইরে গজল গায়িকা হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে তার সুনাম রয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের গায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতীয় এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের অনেক গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দি, সিন্ধি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, পারসিয়ান, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্পেনিশ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন।

পাকিস্তানে তার গান ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। মানুষের মুখে মুখে শোনা যেতো তার এই গান। বাংলাদেশে আসার পর চলচ্চিত্রে গান গেয়ে তিনি বাংলাদেশেও জনপ্রিয় হন। গানে অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশসহ, পাকিস্তান ও ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হন। রুনা লায়লা ছ’বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

১৯৭৭ সালে আবদুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘যাদুর বাঁশি’ চলচ্চিত্রে গানের জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এরপর একই সম্মাননায় ভূষিত হন ‘অ্যাকসিডেন্ট’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘তুমি আসবে বলে’, ‘দেবদাস’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য।

দেবু ভট্টাচার্যের সুরে করাচি রেডিওতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রথম রুনা লায়লার কণ্ঠে বাংলা গান শোনা যায়। ‘নোটন নোটন পায়রাগুলো’, ‘আমি নদীর মতো কত পথ পেরিয়ে’ শীর্ষক গান তার কণ্ঠে শোনা যায়। তবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে রুনা লায়লা প্রথম প্লেব্যাক করেন ১৯৭০ সালে নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘স্বরলিপি’তে সুবল দাসের সুর ও সংগীতে। এর রেকর্ডিং হয়েছিল লাহোরে। তখন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন। গানটি হচ্ছে ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বলো কী হবে’।

দেশে আসার পর ১৯৭৬-এ প্রথম প্লেব্যাক করেন নূরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘জীবন সাথী’ চলচ্চিত্রে। এর সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছিলেন সত্য সাহা। রুনা লায়লার সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠে গেয়েছিলেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। এ ছাড়া রুনা লায়লা চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ নামে চলচ্চিত্রে চিত্রনায়ক আলমগীরের বিপরীতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেন। ব্যক্তিগত জীবনে রুনা লায়লা ১৯৯৯ সালে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন বাংলাদেশি চিত্রনায়ক আলমগীরকে।

রুনা লায়লার মেয়ে তানি লায়লা ও দুই নাতি জাইন এবং অ্যারন। এদিকে গত ৫ নভেম্বর সিটি ব্যাংক এনএ কর্তৃক বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হন রুনা লায়লা। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: