সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৩৩ বছরেও মেরামত হয়নি জৈন্তায় দেবে যাওয়া শিকারখাল ব্রিজ : ১০ গ্রামেরবাসীর ভোগান্তি

jaintapur-16-11-2016-5জৈন্তাপুর প্রতিনিধি ::
জৈন্তাপুরের জাফলং-বিরাইমারা মুক্তাপুর সড়কের ‘শিকার খাল ব্রিজের’ একটি পিলার আজ থেকে প্রায় ৩৩ বছর আগে পাহাড়ি ঢলের কারণে দেবে যায়। দীর্ঘ ৩৩ বছরেও ব্রিজটি সংস্কার অথবা এখানে নতুন করে কোনো ব্রিজ নির্মাণ না করায় বর্তমানে এই ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই ব্রিজটি থাকার পরেও খালে বস্তা দিয়ে বাঁধ তৈরি করে যাতায়াত করতে হচ্ছে ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের। এর ফলে এই এলাকার হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বিগত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন সমূহের পূর্বে প্রার্থীরা শিকারখালে নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর তারা ভুলে যান। স্থানীয় এমপি ইমরান আহমদের গ্রামের বাড়িও জৈন্তাপুর ইউনিয়নের শ্রীপুরে। এমপির নিজ ইউনিয়নের মানুষের চলাচলের অন্যতম এই সড়কটির শিকারখাল ব্রিজ সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয় লোকজনও ক্ষুব্ধ তাঁর ওপর।
সরেজমিনে শিকারখাল ব্রিজ ঘুরে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ঢুলটিরপার, শেওলারটুক, বাওনহাওর, চাতলারপার, খারুবিল, কাটাখাল, মুক্তাপুর, গড়েরপার, লামনীগ্রাম উত্তরপাড়, বিরাইমারা হাওর, নলজুরী, ১ নম্বর লক্ষ¥ীপুর, ২ নম্বর লক্ষ¥ীপুর এলাকার লোকজন ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

ওই এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার লোকজনের সাথে আলাপকালে তারা জানান, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আজও আমরা বসবাস করছি অন্ধকারে। নিজ ইউনিয়নের সন্তান জাতীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ পাঁচ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নিয়ে আমাদের প্রতিনিধি হিসাবে সংসদে কথা বলছেন। এছাড়া গোয়াইনঘাট উপজেলার সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম একবার নির্বচিত হয়ে হয়ে এমপি হয়েছেন। বিএনপি নেতা নাজিম কামরান এমপি থাকাবস্থায় এই ব্রিজটি দেবে যায়। তিনিও এটি কোনো সংস্কারের ব্যবস্থা করেননি। নতুন করে এখানে ব্রিজ নির্মাণ করে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কেউ এগিয়ে আসেননি। যদিও তারা সবাই ভোটের সময় আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই এলাকার মানুষের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবেন। কিন্তু বাস্তবে তা আরও হয়নি।

চাতলারপাড় গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা কুদ্রত উল্লাহসহ এলাকাবাসী আরও বলেন, আমরা বার বার ভোট দিয়ে থাকি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। মিথ্যা আশ্বাস আর শত শত বার সরকারি লোকজন এসে মাটি পরীক্ষা করেন। কিন্তু এই ব্রিজটি আর হয় না। জাফলং থেকে মুক্তাপুর পর্যন্ত রাস্তার ভাঙা সেতুটি নির্মিত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ কৃষি ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসবে। এতে পূর্ব জাফফং ইউনিয়ন এবং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: