সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘হিজাব ধরে টানাটানি করে বলছিল দেশ থেকে বের হয়ে যা’

full_623688480_1479278474আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ করেই মুসলিম, হিস্পানিক এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু অভিবাসীদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করছেন এসব সম্প্রদায়ের মানুষ। বিশেষ করে মুসলিম বিদ্বেষজনিত ঘটনা আগের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেড়েছে।

ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারের সময় মুসলিমদের টার্গেট করে যে ধরণের বক্তব্য রেখেছিলেন, তাকে এসব হামলার জন্য দায়ী করছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী, যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠই মুসলিম।

এরকমই একজন নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী মাজেদা উদ্দীন। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য খুব একটা সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরের দিনের ঘটনার কথা বলতে থাকেন তিনি।

‘আমার ভাইয়ের মেয়ে বাসে করে কলেজে যাচ্ছিল। উনিশ বছর বয়স। সে হিজাব পরে। চারজন শ্বেতাঙ্গ দম্পতি তাকে অ্যাটাক করে । তার হিজাব ধরে টানাটানি করে, চিৎকার করে বলতে থাকে এ দেশ থেকে বের হয়ে যা। এটা তোদের দেশ না। গালমন্দ করতে থাকে’।
সে বাস থেকে নেমে চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে ট্যাক্সিতে চড়ে বাসায় যায়, জানান মিসেস উদ্দিন।

আমেকিার প্রভাবশালী পত্রিকা ‘ডেইলি নিউজ’র রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ফাহিমা বাসে করে ম্যানহাটনে হান্টার কলেজে যাচ্ছিলেন। বাসেই দুই শেতাঙ্গ আমেরিকান (স্বামী-স্ত্রী) তার কাছে এসে তাকে চিৎকার করে বলতে থাকে তার মাথা থেকে হিজাব খুলে ফেলার জন্য। তারা ফাহিমার সাথে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। বলতে থাকে, মাথা থেকে বিরক্তিকর এই জিনিস খুলে ফেল। ফাহিমা তার হিজাব না খুলেই প্রতিবাদ জানায়। এই ঘটনা সে বাসায় এসেই তার পরিবারকে জানায়। পুরো ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফাহিমাকে নিগ্রহের এই ঘটনা লন্ডনের ডেইলি মিররসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

মুসলিমদের নিষিদ্ধ করা হবে হিজাব নিষিদ্ধ করা হবে বলে ট্রাম্প যে বক্তব্য দিয়েছেন, তারপর সকলেই কমবেশি এমন আচরণের শিকার হচ্ছেন বলে জানান মাজেদা উদ্দীন। তিনি নিজেও ভীত একটি মনোভাব নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করেন বলে জানান ওই মহিলা।

তবে নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পরে এ ধরনের হামলা থামানোর কথা বলেছেন ট্রাম্প। তাতে কি কোনও কাজ হবে?

এমন প্রশ্নে আমেরিকার এ বাসিন্দা বলেন, তাতে তিনি একমত হতে পারছেন না। এর যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন, ইলেকশনের একদিন পরে ট্রাম্পের নির্বাচনী ওয়েবসাইট থেকে মুসলিমদের নিষিদ্ধ করা সংক্রান্ত বক্তব্য সরিয়ে নেয়া হলেও, তৃতীয় দিনে আবার সেটি ওয়েবসাইটে উঠে আসে। সূত্র: বিবিসি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: