সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিকৃবি’র প্রফেসর ড. মোঃ মাছুদুর রহমান দেশসেরা বিজ্ঞানীর পুরষ্কার পেলেন

unnamed-14সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ মাছুদুর রহমানের ক্লিনিকাল, ফারমাসিউটিক্যাল এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান শাখায় গবেষণা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কার লাভ করেছেন।

তিনি যক্ষা রোগের মলিকুলার ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি আবিস্কার করে ক্লিনিকাল, ফারমাসিউটিক্যাল এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান শাখায় গবেষণা ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের সেরা গবেষক নির্বাচিত হয়েছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন শাখায় সেরা গবেষকদের হাতে এই পুরস্কার দিয়ে থাকে ।

গত ৩ নভেম্বর ঢাকাস্থ ওসমানী সৃতি মিলনায়তনে প্রফেসর ড. মোঃ মাছুদুর রহমানের হাতে সেরা গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং নগদ ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ। এসময় বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তাছাড়াও প্রাণিচিকিৎসা বিজ্ঞান শাখায় অসাধারন গবেষণার জন্য তিনি ইন্ডিয়ার ভেনাস ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক “আউটস্ট্যন্ডিং সায়েনটিস্ট এওয়ার্ড” এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। উক্ত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি আগামী ৩ ডিসেম্বর লা রয়্যাল মেরিডিয়ান, চেন্নাই, ইন্ডিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ২০১৪-১৫ সালে সেরা গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনার জন্য তিনি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের নিকট হতেও সম্প্রতি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা গবেষক পুরস্কার পেয়েছিলেন। একজন সফল বিজ্ঞানী হিসাবে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালেতার ৪৩টির অধিক গবেষণা প্রবন্ধ এবং আমেরিকার মেডক্রাব প্রকাশনী হতে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

প্রফেসর ড মোঃ মাছুদুর রহমান বর্তমানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগে অধ্যাপনার কাজে নিয়োজিত আছেন।
উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. মোঃ মাছুদুর রহমান বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানার অন্তর্গত নারছিগ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম মোঃ আমজাদ হোসেন মোল্লা এবং মাতার নাম মোছাঃ মালেকা খাতুন। তিনি ১৯৯১ সালে বগুড়ার ডেমাজানি শ. ম. র. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে (স্টারমার্কসসহ) এস এস সি এবং ১৯৯৩ সালে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে এইচ এস সি পাস করেন। তিনি সাফল্যের সাথে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে প্রথম শ্রেণীসহ ডক্টর অফ ভেটেরিনারী মেডিসিন ডিগ্রি এবং ২০০১ সালে প্যাথলজি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০০৩ সালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (তদানীন্তন সিলেট সরকারি ভেটেরিনারী কলেজ) সহকারী প্রফেসর হিসাবে যোগদান করেন। তিনি ২০০৮ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত দক্ষিন কোরিয়ার বিখ্যাত চুনবুক ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড ইমিঊনোলজি এর উপর গবেষণায় নিয়োজিত হন এবং ২০১১ সালে পি এইচ ডি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি দক্ষিন কোরিয়ায় পোষ্ট ডক্টরাল গবেষক হিসাবে কাজ করেন। তিনি ২০১৩ সালে সিনিয়র রিসার্চ সায়েনটিস্ট হিসাবে চেক প্রজাতন্ত্রের ভেটেরিনারি রিসার্চ ইন্সটিটিউট এ যোগদান করেন এবং সালমোনেলা রোগের ভ্যাক্সিন আবিস্কারের উপর গবেষণার কাজ সাফল্যের সাথে সম্পূর্ণ করেন। -বিজ্ঞপ্তি

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: