সর্বশেষ আপডেট : ৫৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৩ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রুয়েটে ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও ছাত্রলীগ নেতার মধ্যে হাতাহাতি

ruet20151212132752রাবি প্রতিনিধি: ল্যাপটপ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সহকারি ছাত্রকল্যাণ-উপদেষ্টা ও মহানগর আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর এবং ছাত্রলীগের উপ-সম্পাদক শাকিলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে এই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে হলের ভিতরে গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করে।

প্রতক্ষদর্শী ও হল সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জিয়া হলের ২১৭ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে বাইরে যায়, কক্ষে ফিরে এসে দেখে তিনটি ল্যাপটপ নেই। বিষয়টি হল প্রধ্যক্ষকে জানালে তিনি খোঁজ খবর নিতে আসেন সহকারি ছাত্রকল্যাণ-উপদেষ্টা সিদ্ধার্থ শংকর। তিনি জিজ্ঞাসবাদের জন্য ৪০৩ নম্বর কক্ষের ছাত্র ও ছাত্রলীগের উপ-সম্পাদক শাকিল দেখা করতে বলেন। কিন্তু শাকিল আসতে দেরী করলে সিদ্ধার্থ শংকর নিজেই শাকিলের কক্ষে যেয়ে তাকে চড়-থাপ্পর মারে। এক পর্যায়ে শাকিলও উত্তেজিত সহকারি ছাত্র-উপদেষ্টাকে ধাক্কা দেয়। ছাত্রের গায়ে হাত দেওয়ায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে বসে উভয় পক্ষ। বিষয়টি মীমাংসার এক পর্যায়ে সিদ্ধার্থ শংকর মহানগর ছাত্রলীগকে ফোন দিয়ে রুয়েট এ আসতে বলে। পরে মহানগর ছাত্রলীগের বেশকয়েকজন নেতাকর্মী আসলে সিদ্ধার্থ শংকর শাকিলকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে প্রাধ্যক্ষের কক্ষ ত্যাগ করে। হল গেটে মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি উজ্জলসহ বেশ কয়েকজন শংকরের পক্ষ নিলে হলের ছাত্রলীগের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামলাতে হলের গেটে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার এসে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

সহকারি ছাত্রকল্যাণ-উপদেষ্টা সিদ্ধার্থ শংকর বলেন, সন্ধ্যায় জিয়া হলে ল্যাপটপ চুরি হওয়ার ঘটনায় আমাকে জানালে আমি সেখানে যায়। পরে তল্লাশি করতে গেলে ছাত্রলীগ নেতা শাকিল আমার সাথে বেয়াদবি করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে উভয় পক্ষের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে।

জানতে চাইলে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মু. শহীদুল ইসলাম বলেন, ছেলেরা ল্যাপটপ হারিয়েছে বলে দাবি করছে কিন্তু আমরা তেমন কোন কিছু পাইনি। পরবর্তীতে যাতে এ ধরনের কোন ঘটনার সৃষ্টি না হয় সে কারণে হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাছাড়া হলের নিরাপত্তার ব্যাপারে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলা হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: