সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিশ্বম্ভরপুরের রক্তি নদীর চাঁদাবাজদেরকে আটক করার আহবাণ জানালেন সাবেক সাংসদ মতিউর রহমান

downloadসুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:: সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের রক্তি নদীর দক্ষিণ পাড়ে রঙ্গিয়ারচর ঘাটে এবং আবুয়া নদীর মুখে পৃথক ২টি স্পটে চাঁদা আদায়কারীদেরকে আটক করার আহবাণ জানিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মতিউর রহমান। চিহ্নিত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ফতেহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান তালুকদারের দায়েরকৃত এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের সাথে আলাপকালে তিনি এ আহবান জানান। অভিযোগে উল্লেখিত চিহ্নিত চাঁদাবাজরা হচ্ছেন, উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের আব্দুল মতলিবের পুত্র শাহ আলম, উসমান আলীর পুত্র বুরহান,মন্তাজ আলীর পুত্র হক মিয়া,হাশিম আলীর পুত্র সিদ্দিক মিয়া,মৃত আব্দুল করিমের পুত্র মরম আলী,রহমান মিয়ার পুত্র আক্কাছ মিয়া, শহীদ মিয়ার পুত্র তাজ উদ্দিন,জাহির আলীর পুত্র আজিজ ও সিরাজ,উমেদপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র কামাল,ক্ষিদরপুর গ্রামের রফিক মিয়ার পুত্র শ্রীমাল ও জসিম,শাহপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের পুত্র করম আলী,মনুর আলীর পুত্র নুরুল হক,বজু মিয়ার পুত্র সবুজ,গৌছ আলীর পুত্র আসাদ মিয়া প্রমুখ।

এলাকাবাসী জানান,প্রতিদিন বালি ও পাথরবাহী ইঞ্জিন নৌকা,কার্গো,বলগেড আটক করে ব্যাবসায়ী ও শ্রমিকদেরকে জিম্মি করে প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে উক্ত চাঁদাবাজরা বিভিন্ন রেটে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা ও সিদ্বান্ত নেয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়না। ফতেহপুর ইউপি চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা রঞ্জিত চৌধুরী রাজন,রক্তি নদীতে চাঁদাবাজী বন্ধের জন্য একাধিকবার আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় দাবী উত্থাপন করেন।

নদীতে অব্যাহত চাঁদাবাজীর কথা স্বীকার করে বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মোঃ শহীদুর রহমান বলেন,গত ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্বম্ভরপুর থানার এসআই গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য রক্তি নদীতে চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযান চালায়। অভিযানকালে উক্ত চাঁদাবাজরা ২টি নৌকায় চাঁদা আদায় করছিলো। পুলিশের অভিযান ঠের পেয়ে নৌকা ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ নদীতে ধাওয়া করে চাঁদাবাজদের ব্যাবহৃত একটি নৌকা উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জগন্নাথ মেম্বারের জিম্মায় রেখে আসে বলেও জানান ওসি। চাঁদাবাজদের আটক করাসহ চাঁদাবাজী বন্ধের জন্য সম্প্রতি সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে বেশ কয়েকবার আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন চাঁদাবাজদেরকে গ্রেফতার না করায় জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: