সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারীদের তালিকা হচ্ছে সারাদেশে

1478413877নিউজ ডেস্ক:: সারাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সরকার। বেসামরিক নাগরিক থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে চাকরিতে থাকা এবং বেতন-ভাতা গ্রহণকারীদের তথ্য নেয়া হচ্ছে। এমনকি যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সহায়তা দিয়েছিলেন তারাও থাকছেন এই তালিকায়। আর তথ্য সংগ্রহের এই কাজটি সমন্বয় করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এসব তথ্য সংরক্ষণ করছে।

সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে অনেক জেলা থেকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু কিছু জেলা থেকে এখনো কোনো তথ্য মেলেনি। এজন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের তাগিদ দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থা থেকে মোট ছয় ধরনের অপরাধীর তথ্য চাওয়া হচ্ছে।

এগুলো হচ্ছে- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আলসামস বাহিনীর সদস্য, এসব বাহিনীর সদস্য কর্তৃক নিহত শহীদদের তালিকা, জেলার অধিক্ষেত্রে বধ্যভূমি, গণকবর, রাস্তা ও নদী চিহ্নিত করে মানচিত্র প্রস্তুত, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনার তালিকা, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে অগ্নিসংযোগকারী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, সেতু-কালভার্ট ইত্যাদির তালিকা এবং ওই সময়ে রাজাকার, আলবদর, আলসামস বাহিনীর সদস্য কর্তৃক জেলা ট্রেজারি থেকে স্বাক্ষর করে বেতন-ভাতাদি উত্তোলনকারীদের তালিকা।

জানতে চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সমন্বয়ক মুহ. আব্দুল হান্নান খান পিপিএম ইত্তেফাককে বলেন, সংগৃহীত তালিকা ধরে মামলা করা হচ্ছে। তৃণমূলেও যদি রাজাকার, আলবদর, আলসামস বা তাদের সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়- তাদের বিরুদ্ধেও মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলা করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গোটা দেশ থেকেই তালিকা নেওয়া হচ্ছে। সরকার যদি প্রয়োজন মনে করে ট্রাইব্যুনাল থেকে তালিকা নিতে পারে। ট্রাইব্যুনালে তালিকা সংরক্ষিত করা হচ্ছে। এ তালিকা সংবাদপত্রে দেয়া হবে কী না- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি প্রকাশের জন্য নয়। তদন্ত করে মামলা করার জন্য এটি করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব মাকসুদুর রহমান পাটোয়ারী জানান, তদন্ত সংস্থা থেকে কোনো জেলার বিষয়ে তথ্য চাওয়া হলে সেটি তারা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসককে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। জেলা প্রশাসক জেলা বা উপজেলা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠনের সহায়তায় তালিকা করে তা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। যদি কোনো জেলা থেকে যথাসময়ে তালিকা পাঠানো না হয়- তবে একাধিকবার তাগিদ দিয়ে যতদ্রুত সম্ভব তালিকা আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ কাজে মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা যথেষ্ট সজাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: