সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারতে বসে বাংলাদেশে জেএমবি নেতার ফাঁসি রোখার ছক !

browseনিউজ ডেস্ক : একবার পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হয়েছিল আইইডি! কিছুদিনের মধ্যে ফের পরীক্ষামূলক ভাবে ওই বিস্ফোরক ব্যবহার করে দেখার কথা ছিল। বাংলাদেশের জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের ফাঁসি রুখতে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল জেএমবি। দুই বিচারকের খুনের ঘটনায় রোববার যার ফাঁসি কার্যকর করেছে বাংলাদেশ প্রশাসন। তবে সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের হাতে ছ ’জন গ্রেপ্তার হতেই ভেস্তে যায় সেই পরিকল্পনা। কারণ বাংলা ও অসমে বসে ওই নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিল কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে ধৃত জেএমবির চাঁই আনোয়ার হোসেন ফারুক, ইউসুফরা। হামলার জন্য বিস্ফোরকও সরবরাহ করার কথা ছিল এখান থেকেই। ফলে জেএমবির এই চাঁইরা ধরা না পড়লে আদৌ আসাদুলকে ফাঁসিতে ঝোলানো যেত কি না, তা নিয়ে রীতিমতো সংশয় রয়েছে। এ দেশের মাটি ব্যবহার করে ওপার বাংলায় নাশকতার ছক কষছে জেএমবি , খাগড়াগড় কান্ডের পরই সে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছিল। তবে ওই ঘটনার পরও জেএমবি যে সেই পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসেনি , তাদের নয়া নাশকতার ছক থেকেই তা স্পষ্ট বলে মত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের।

রোববার রাত সাড়ে দশটায় খুলনা জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় আসাদুল ইসলামকে (৪৩ )। যে কোনও ধরনের নাশকতা রুখতে নিরপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় জেল সংলগ্ন অঞ্চল। ২০০৫ সালে ১৪ নভেম্বর ঝালাকাঠির আদালতে যাওয়ার সময় সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ সোহেল আহমেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়ি লক্ষ করে বোমা ছোড়ে জেএমবির জঙ্গিরা। তাতে মৃত্যু হয় ওই দুই বিচারকের। আহত হন আরও কয়েকজন। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করা হামলার অন্যতম চক্রী আসাদুল ওরফে আরিফকে। আরিফ -সহ সাতজনকে ফাঁসির নির্দেশ দেয় আদালত। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয় আরিফ। কিন্তু শীর্ষ আদালতও তার আবেদন খারিজ করে ফাঁসির সাজা বহাল রাখে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর , গত আগস্টে শীর্ষ আদালতের রায়ের পরই আরিফের ফাঁসি আটকাতে তৎপর হয় জেএমবি। কলকাতা থেকে ধৃত জেএমবি নেতা আনোয়ার হোসেন ফারুক , মৌলানা ইউসুফ , আব্দুল কালামদের জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন , আরিফের ফাঁসির আগে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল তারা।

কারণ তারা জানত , শীর্ষ আদালত সাজা বহাল রাখায় যে কোনও দিন ফাঁসি দেওয়া হতে পারে আরিফকে। হামলার মূল ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিল জেএমবির মাথা সালাউদ্দিন সালহে ওরফে বড়ভাই। খাগড়াগড় কান্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ফেরার সালাউদ্দিন -সহ ফারুকরা প্রস্তুত হচ্ছিল আইডি বিস্ফোরণের জন্য। বাংলা ও অসম থেকে বিস্ফোরক সহ অন্যান্য লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল সালহেদের। তবে মূল অপরেশেনটা চালানোর কথা ছিল বাংলাদেশে থাকা জেএমবি জঙ্গিদের। কোনও ভাবেই যাতে তাদের পরিকল্পনা বানচাল না হয় , সে জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছিল তারা। হামলায় যে বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে কিছুদিন আগে বাংলাদেশে সেই আইইডি টেস্ট করেও দেখে জঙ্গিরা। ফের পরীক্ষামূলক ওই আইডি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ছিল জেএমবির। আইঅডি পরীক্ষায় পর সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আরিফের ফাঁসির আগেই মূল হামলা চালানো হবে বলে স্থির করা হয়। গোয়েন্দাদের অনুমান , জেলে হামলা চালিয়ে আরিফকে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা ছিল জেএমবির। তবে এখানেই শেষ নয় , সেনা ছাউনিগুলিতেও তাদের হামলার ছক ছিল।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: