সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ফ্লিট স্ট্রিট ত্যাগ করলো লন্ডনের সব মিডিয়া হাউস

53070869-550x375আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বানানো পোশাক ভালোবাসে এমন মানুষের কাছে লন্ডনের স্যাভাইল রো স্ট্রিট যেমন জনপ্রিয় ঠিক তেমনি এক সময় ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমের সমার্থক ছিল ফ্লিট স্ট্রিট। বিংশ শতকের মাঝামাঝি। ব্রিটেনের অধিকাংশ বড় সংবাদপত্র তখন ছেপে বেরোত লন্ডনের ফ্লিট স্ট্রিট থেকে।

ষোড়শ শতকের গোড়া থেকেই খবরের কাগজ ছাপা ও প্রকাশনা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে যায় ফ্লিট স্ট্রিটের নাম। লন্ডনের এই এলাকা থেকেই তখন ছাপা হতো প্রায় সব কাগজ। কিন্তু ৩০ বছর আগে মিডিয়া মুঘল রুপার্ট মারডক নিজের প্রকাশনা সংস্থার অফিস ফ্লিট স্ট্রিট থেকে সরিয়ে ওপিং স্ট্রিটে নিয়ে যাওয়ার পরেই বদলাতে থাকে ছবিটা। সেখানে আরও সস্তায় কাগজ ছাপানো শুরু করে মার্ডকের প্রকাশনা সংস্থা নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। দ্য টাইমস-এর মালিকের পথে হেঁটেই দ্য ডেলি টেলিগ্রাফ, দ্য ডেলি মেল-এর মতো কাগজ একে একে পাততাড়ি গোটাতে শুরু করে এই এলাকা থেকে। সেই তালিকায় রয়েছে রয়টার্সও। এক সময় পশ্চিমবঙ্গের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অফিসও ছিল সেখানে। ১৯৯৮ সালে তালা পড়ে সেখানেও। যদিও সেই ফ্লিট স্ট্রিট এখন চরিত্র বদলেছে। কাগজের অফিসের বদলে সেখানে মাথা তুলেছে একাধিক লিগাল ফার্ম।

গত কিছুদিন আগে শেষ পত্রিকা অফিসটিও নিজেদের কার্যালয় সরিয়ে নিয়েছে এই ফ্লিট স্ট্রিট থেকে। স্কটিস পত্রিকা দ্য সানডে পোস্ট এর অফিস গত কিছুদিন আগে সরিয়ে নেয়া হয় এখান থেকে। এটিই ছিল ফ্লিট স্ট্রিটে অবস্থিত শেষ পত্রিকা অফিস। আর এর মাধ্যমেই ফ্লিট স্ট্রিটের সাথে ছাপা ও প্রকাশনা ব্যবসার প্রায় সব সম্পর্কই শেষ হয়ে গেল।

প্রায় কয়েক প্রজন্ম ধরে ফ্লিট স্ট্রিট ছিল নামী-দামী সব প্রকাশনা সংস্থা এবং পত্রিকা অফিসের ঠিকানা। লন্ডনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশের মেলবন্ধন এই ফ্লিট স্ট্রিট। যদিও লন্ডনের অধিকাংশ পত্রিকা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করে রেখেছে, কিন্তু ফ্লিট স্ট্রিটের বার এবং পাবগুলোতে সাংবাদিকরা একে অপরের সাথে ঠিকই আড্ডাতে মেতে উঠতেন।

সেই ফ্লিট স্ট্রিটেই সেন্ট ব্রাইড’স চার্চ। এক সময় সাংবাদিকদের তীর্থক্ষেত্র বলা হতো এটিকে। মারডক একা নন, লন্ডনের বহু সাংবাদিকই বিয়ে সারেন এখানে। মৃত্যুর পরে শেষকৃত্যও হয় সেখানে। এক কথায় ‘সংবাদমাধ্যমের আধ্যাত্মিক পীঠস্থান’ বলা যেতে পারে এই চার্চটিকে। এই চার্চেই নিজের চতুর্থ বিয়েটি করেছেন মারডক। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: