সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অনন্ত হত্যা মামলা : আবারো তদন্তের নির্দেশ

2-daily-sylhet-newsডেইলি সিলেট ডেস্ক: সিলেটে বিজ্ঞান লেখক অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলা থেকে ১১ জনকে অব্যাহতির আবেদন জানিয়ে সিআইডির দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ না করে পুনরায় তদন্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দিতে বলেছে আদালত। সিলেটের তৃতীয় মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক হরিদাশ কুমার আজ মঙ্গলবার সকালে এই আদেশ দেন।

এ আদালতের এপিপি খোকন কুমার দত্ত বলেন, ‘অভিযোগপত্রে ত্রুটি থাকায় আদালত শুনানি শেষে পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।’
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা সিআইডির পরিদর্শক আরমান আলী গত ২৮ অগাস্ট ৫ জনকে আসামি করে আদালতে এ অভিযোগপত্র দেন। তারা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট থানার ফালজুড় গ্রামের জমসেদ আলীর ছেলে আবুল হোসেন ওরফে আবুল হোসাইন (২৫), খালপাড় তালবাড়ি গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে ফয়সাল আহমদ (২৭), সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর থানার বীরেন্দ্র নগর বাগলী গ্রামের মো. আমির উদ্দিনের ছেলে হারুনুর রশিদ (২৫), কানাইঘাট থানার পূর্ব ফালজুড় গ্রামের হাফিজ মঈনউদ্দিনের ছেলে মান্নান ইয়াহইয়া ওরফে মান্নান রাহী ওরফে এবি মান্নান ইয়াহিয়া ওরফে ইবনে মঈন (২৪) এবং ফালজুড় গ্রামের জোয়ায়াদুর রহমানের ছেলে আবুল খায়ের রশিদ আহম্মদ (২৪)। এদের মধ্যে মান্নান ইয়াহইয়া ও আবুল খায়ের কারাগারে আছেন; বাকিরা পলাতক।

এর বাইরে উগ্রপন্থি ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবীসহ আরো ১১ জনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগপত্রে তাদের অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এই ১০ জন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কালীশ্রী পাড়ার ফেরদৌস-উর-রহমানের ছেলে শফিউর রহমান ফারাবী (৩০); দৈনিক সবুজ সিলেটের আলোকচিত্রী মো. ইদ্রিছ আলী (২৪), কানাইঘাট থানার পূর্ব ফালজুড় গ্রামের হাফিজ মঈনউদ্দিনের ছেলে মোহাইমিন নোমান (১৯), লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার রমনপুর জমাদার বাড়ির মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাদেক আলী মিঠু (২৮), যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার এসএমএ করিম রোডের এ এফ রশিদুর রহমানের ছেলে মো. তৌহিদুর রহমান গামা (৫৯), ঢাকার মিরপুরের জব্বার মল্লিকের ছেলে আমিনুল মল্লিক (৩৫), যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কাজলার মইনউদ্দিনের ছেলে জাকিরুল্লাহ হাসান (১৯), পল্লবীর বাউনিয়াবাদ কলোনী ব্লিডিংয়ের তাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম আরফান মুসফিক (২০), বাগেরহাটের গোয়াখালি গ্রামের রেজাউল কবির বিশ্বাসের ছেলে জুলহাস বিশ্বাস (২৪), নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের ডা. আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে জাফরান হাসান (২০) এবং বরগুনার হেউলিবুনিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে আবুল বাশার (৪০)।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১২ মে সিলেট নগরীর সুবিদ বাজারে বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা করা হয় অনন্ত বিজয় দাশকে। একদিন পর তার বড় ভাই রতেœশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখির কারণে ‘উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী’ পরিকল্পিতভাবে অনন্তকে খুন করেছে বলে সেখানে অভিযোগ করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর আনসার বাংলা-৮ নামের একটি সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। আর তদন্তের এক পর্যায়ে লেখক অভিজিৎ রায় হত্যায় গ্রেফতার কয়েকজনকে অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় দুই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একই দল রয়েছে।

প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটির তদন্তভার সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগকে দেয়া হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: