সর্বশেষ আপডেট : ২৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘বাঁচো, ভালোবাসো আর হাসো’ বিষন্নতা কাটাতে দীপিকার মন্ত্র

live-love-laugh-foundation-deepika-png1_-550x327বিনোদন ডেস্ক : ২০১৪ সালের শুরুর দিকের এক সকাল। ঘুম থেকে উঠার পরই নিদারুণ এক বিষন্নতায় ডুবে যান বলিউড সুন্দরী দীপিকা পাডুকোন। এ বিষন্নতা কিছুতেই যেন কাটছিলোনা। অথচ সদ্য শেষ করা ২০১৩ সালটি তার জন্য ছিলো দারুণ সাফল্যের এক বছর। ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি, চেন্নাই এক্সপ্রেস এবং গোলিও কি রাসলীলা: রামলীলা’র মতো ‘ব্লকব্লাস্টার’ খ্যাত সিনেমাগুলিতে তিনি সে বছরই অভিনয় করে অঘোষিত বলিউড রাণীতে পরিনত হন। আর বছর পেরোতেই রাণী তলিয়ে যেতে বসেছিলেন বিষন্নতার সাগরে নিমজ্জিত হয়ে।

২০১৫ সালটি ছিলো দীপিকার জন্য ব্যাতিক্রম। কারণ ততোদিনে তিনি তার সকল বিষন্নতা কাটিয়ে উঠেছিলেন। বিষন্নতা কাটাতে তাকে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে। এ যুদ্ধ কেবল জয়-ই নয়, দীপিকা বিষন্নতা কাটানোর মূল মন্ত্রও আবিষ্কার করে ফেলেন। তিনি আবার তার পুরনো রূপে কিন্তু নতুন উচ্ছল আনন্দে বিষন্নতার কালো পানি থেকে মাথা তুলে বলেন, বাঁচো, ভালোবাসো আর হাসো।

এই ছিলো তার মন্ত্র! এ মন্ত্রেই তিনি বিষন্নতায় ডুবা সকল মানুষকে সুখী করতে চান। তার ‘লিভ-লাভ-লাফ’ ফাউন্ডেশান এমন মহৎ উদ্যোগ নিয়েই অগ্রসরমান।

নিজের গড়ে তোলা ফাউন্ডেশন সম্পর্কে দীপিকা বলেন, ‘যারা বিষন্নতা, উদ্বেগ ও অবসাদের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে তাদের কীভাবে আরও ভালোভাবে বুঝতে হয় তা আমরা জানি। তারা সহযোগিতার আশ্বাস চায়। লিভ-লাভ-লাফ ফাউন্ডেশন সবার জন্য একটি উন্মুক্ত অঙ্গন যেখানে সবাই বিস্তৃত জ্ঞান লাভ করে, পেশাদারদের সঙ্গে সংযুক্ত হয় এবং তারা অনুভব করে যে তারা এক নয়। এখানে সত্যিকারের সহযোগিতা।

lll-about1-550x378দীপিকার দেশ ভারত সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৬-৭ শতাংশ লোক তীব্র অথবা মৃদু মানসিক রোগে ভোগে। মোট জনসংখ্যার হিসেবে যা দাঁড়ায় প্রায় ৭ কোটি মানুষ। আর এই বিপুল সংখ্যক মানসিক রোগীর সেবায় ভারতে মাত্র সাড়ে তিন হাজার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মনোবিজ্ঞানী রয়েছে। তাই মানসিক রোগ এবং বিষন্নতায় ডুবা মানুষগুলো যেন অসহায় জীবন-যাপন করে।
বলিউড সেনসেশন দীপিকা তার দেশের মানুষের এই অসহায়ত্বকে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। কারণ এই প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে তাকেও যেতে হয়েছিলো। অবসাদগ্রস্থদের অসহায়ত্ব ঘোচাতেই দীপিকা উদ্যোগী হন এবং গড়ে তোলেন লিভ-লাভ-লাফ ফাউন্ডেশন।

নিজের অতীত বিষন্ন সময়ের কথা স্মরণ করে দীপিকা বলেন, ‘আমি যখন ডিপ্রেশন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলাম তথনই বুঝতে পারলাম এমন বিষন্নতায় ডুবে আছে দেশের কয়েক মিলিয়ন লোক। প্রতি চারজনে একজন সারা জীবনে অন্তত একবার অবসাদ এবং বিষন্নতায় ভোগেন। সামাজিক অসহযোগীতা এবং অজ্ঞতার জন্য তাদের একসময় পাগল হওয়ার দশা হয়।’
২০১৫ সালের শুরুতেই দীপিকা সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তার বিষন্ন সময়ের গল্পগুলো সারা পৃথিবীকে জানিয়ে দেবেন। আর এ গল্প থেকেই এ ধরনের মানসিক সমস্যায় ভোগা মানুষগুলো নতুন করে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পাবে। ৬ মাস পরই তার দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এ্যানা চাঁদনি, ড. সিয়াম ভাট, অনির্বাণ ব্লাহ এবং নিনা নায়ার।
দীপিকা বলেন, ‘এভাবেই আমরা গড়ে তুলেছি লিভ-লাভ-লাফ ফাউন্ডেশন।
এনডিটিভিতে দীপিকার সাক্ষাতকার অবলম্বনে

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: