সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ভয়ঙ্কর কিছু প্রক্রিয়া

156271_1

ভয়ঙ্কর ‘ক্যাথরিন হুইল’ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য

অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীজুড়ে বড় বড় সব অপরাধে চরম দণ্ড দেয়ার ক্ষেত্রে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান প্রচলিত সেই মানব সভ্যতার শুরু থেকে। সময়ের বিবর্তন আর সভ্যতার আধুনিকায়নের এ যুগে আজো প্রচলিত রয়েছে সে রীতি।

তবে কালের পরিক্রমায় এ শাস্তিকে চরম জিঘাংসা আর নিষ্ঠুরতার নমুনা হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান পেতে দেখা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের কিছু প্রগতিশীল রাষ্ট্র আর ইউরোপিয় ইউনিয়ন এই মৃত্যুদণ্ডের বিধানকে রহিত করতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

চলুন প্রিয় পাঠক জেনে নেয়া যাক, পৃথিবীর বুকে এক সময় চালু থাকা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের লোমহর্ষক কিছু প্রক্রিয়া।

শরীরকে দ্বিখণ্ডিত করা

বহু বছর আগে ইংল্যান্ডে এই পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতো। অপরাধী দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে সাজা দেয়ার স্থানে নিয়ে যাওয়া হতো। তারপর দুই পা’র মাঝ বরাবর কেটে ফেলা হতো।

শূলে চড়ানো

রোমান সাম্রাজ্যে এ পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ছিল। যীশু খ্রীস্টকেও এভাবেই মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। কাঠের তক্তার সঙ্গে হাত ও পায়ে পেরেক ঠুকে সেই তক্তা দাঁড় করিয়ে দেয়া হতো। এভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত ব্যক্তিটি।

কলম্বিয়ার টাই

কলম্বিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশে প্রথমে অপরাধীর মাথা কেটে ফেলা হতো। তারপর জিভ টেনে বের করে মাথাটা গাছে বেঁধে রাখা হতো।

ষাঁড়ের পেটে

সিসিলিতে অ্যাক্রাগাসের শাসনামলে এই ভয়াবহ পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়। লোহার ষাঁড় বানানো হতো। অপরাধীকে ঐ ষাঁড়ের পেটে ঢুকিয়ে এর নীচে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হতো। ষাঁড়ের মুখ দিয়ে বের হতো অপরাধীর আর্তনাদ। মনে হতো ষাঁড়টিই চিৎকার করছে।

সেপুকু

জাপানী যোদ্ধা সামুরাই এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। নিজের হাতেই অপরাধীর অন্ত্র বের করে আনতেন, আর যখন অপরাধী ছটফট করতো, তখন সামুরাইয়ের কোনো সহযোগী তরবারি দিয়ে অপরাধীর শিরচ্ছেদ করে দিতো।

লিং চি

চীনে বিংশ শতাব্দিতে এসে এই পদ্ধতি বাতিল করা হয়। এ ধরনের মৃত্যুদণ্ডে অপরাধীর প্রতিটি অঙ্গ একে একে ছিন্ন করা হতো। আর চেষ্টা করা হতো, যাতে সে দীর্ঘ সময় এ অবস্থায় জীবিত থাকে।

জীবন্ত পুড়িয়ে মারা

১৯৩৭ সালে জাপানের সৈন্যরা বন্দি চীনাদের এই শান্তি দিয়েছিল।

স্প্যানিশ থাবা

প্রাচীনকালে স্পেনে লোহা দিয়ে বিড়ালের থাবার মতো ধারালো হাতিয়ার বানানো হতো। আর অপরাধীর চামড়া ওই হাতিয়ার দিয়ে খুবলে নেয়া হতো। চামড়ায় সংক্রমণের কারণে ঐ ব্যক্তির মৃত্যু ছিল অবধারিত।

ক্যাথরিন হুইল

অপরাধীকে চাকার সঙ্গে বেঁধে দেয়া হতো। আর জল্লাদ ঐ চাকা ঘুরাতে থাকত, পাশাপাশি লাঠি দিয়ে প্রহার করতো। ফলে হাড্ডি ভেঙে ঐ ব্যক্তির মৃত্যু হতো।

ডয়চে ভেলে অবলম্বনে

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: