সর্বশেষ আপডেট : ৫৭ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যৌনকর্মীকে পারিশ্রমিক না দিলে তা ধর্ষণ

jounokormiiiiআন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

যৌনকর্মীকে তার প্রাপ্য পারিশ্রমিক না দিলে তাকে ধর্ষণ বলে গ্রাহ্য করা হবে মর্মে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

বিশ বছর ধরে চলতে থাকা ধর্ষণের একটি মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে মুক্তি দিয়ে বুধবার এই রায় ঘোষণা করেছেন বিচারপতি পিনাকী চন্দ্র ঘোষ এবং অমিতাভ রায়ের বেঞ্চ।

তবে একই সঙ্গে তাঁরা বলেছেন, ধর্ষণ সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগগুলোর সত্যতাও যাচাই করতে হবে।

যে মামলার বিচার করতে গিয়ে এই রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত তার সূত্রপাত বছর বিশ বছর আগে, বেঙ্গালুরুতে। সেই মামলায় কর্নাটক হাইকোর্টে তিনজনের বিরুদ্ধে অপহরণ এবং ধর্ষণের অভিযোগ আনেন এক পরিচারিকা। তিনি জানান, ওই তিনজন তাঁকে জোর করে অটোয় চাপিয়ে নির্জন একটি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি গ্যারেজের মধ্যে তাঁকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। গ্যারেজটি পরে সনাক্ত করেন ওই মহিলা। প্রাথমিক তদন্তের পর ওই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলেও পরে আসল সত্য সামনে আসে।

অভিযোগকারীর রুমমেট, এই মামলার অন্যতম সাক্ষী এক মহিলার বয়ানে সামনে আসে প্রকৃত সত্য। তিনি জানান, পেশায় পরিচারিকা ওই মহিলা রাতের বেলায় যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ওই তিন অভিযুক্তের থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর্থিক সুবিধাও নেন। ঘটনার দিন মহিলার সম্মতিতেই তাকে ওই গ্যারেজে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তদের প্রত্যেকের কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি মতো তারা টাকা না দেওয়ায় তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। বুধবারের রায়ের পর ওই তিন অভিযুক্তকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। সূত্র: আনন্দবাজার।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: