সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অনন্তের ৩৪তম জন্মদিন আজ

ananto-120161006160059ডেইলি সিলেট ডেস্ক::সন্ত্রাসীদের চাপাতির কোপে নিহত বিজ্ঞানমনস্ক লেখক-ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশের ৩৪তম জন্মদিন আজ। মৃত্যু পরবর্তী এটা তার দ্বিতীয় জন্মদিন। ১৯৮২ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

২০১৫ সালের ১২ মে সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকায় নিজ বাসার অদূরে অনন্ত বিজয় দাশকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। অনন্ত বিজয় দাশ হত্যার প্রায় দুই বছর হতে চললেও চার্জশিট এখনো দিতে পারেনি সিআইডি।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন অনন্ত বিজয়। এরপর কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন পূবালী ব্যাংকে। পূবালী ব্যাংক সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার শাখায় আইটি হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

অনন্ত বিজয় দাশ ছিলেন বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানমনস্কতার ছোট কাগজ ‘যুক্তি’র সম্পাদক। মানবতা এবং যুক্তিবাদ প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৬ সালে মুক্তমনা ন্যাশনালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

তার প্রকাশিত গ্রন্থ: (১) পার্থিব, (সহ-লেখক সৈকত চৌধুরী), শুদ্ধস্বর, ঢাকা, ২০১১। (২) ডারউইন : একুশ শতকে প্রাসঙ্গিকতা এবং ভাবনা, (সম্পাদিত), অবসর, ঢাকা, ২০১১। (৩) সোভিয়েত ইউনিয়নে বিজ্ঞান ও বিপ্লব : লিসেঙ্কো অধ্যায়, শুদ্ধস্বর, ঢাকা, ২০১২। (৪) জীববিবর্তন সাধারণ পাঠ (মূল: ফ্রান্সিসকো জে. আয়াল, অনুবাদ: অনন্ত বিজয় দাশ ও সিদ্ধার্থ ধর), চৈতন্য প্রকাশন, সিলেট, ২০১৪।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১২ মে রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় চারজনকে আসামি করে অনন্ত বিজয় দাশের বড় ভাই রত্নেশ্বর দাশ সিলেট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটির তদন্তভার সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগকে দেয়া হয়। আনসার বাংলা-৮ নামের একটি সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে।

অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় এই পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশে পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদের মধ্যে ৯ জন ব্লগার ড. অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার আসামি। তাদের এই মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। আর চারজনকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৭ আগস্ট সিলেট থেকে মান্নান ইয়াহিয়া (২৪) ও তার ভাই মোহাইমিন নোমানকে (২১) গ্রেফতার করে সিআইডি। দুই ভাই ইসলামী ছাত্র মজলিশের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত সহোদর সিলেটের কানাইঘাটের পূর্বপালজুড় গ্রামের হাফিজ মইনউদ্দীনের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের আগে মান্নান ইয়াহিয়া নাম পরিবর্তন করে মান্নান রাহী এবং হত্যাকাণ্ডের পরে ইবনে মাইউন নামে ফেসবুকে লেখালেখি করতেন। মান্নান ইয়াহিয়া সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছে। তার ভাই মোহাইমিন নোমান এমসি কলেজের ইসলামিক শিক্ষা বিভাগের ছাত্র।

সহোদরদের দেয়া তথ্যমতে, গত ২ সেপ্টেম্বর সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয় আবুল খায়ের (২২)। তার বাড়ি সিলেটের কানাইঘাটে। তিনি সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষ সম্মান শ্রেণির ছাত্র। তিনি সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবিরের সক্রিয় কর্মী।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মান্নান ইয়াহিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ওই সময় সিআইডি দাবি করে, মান্নানের জবানবন্দিতে বিজয় হত্যার বিষয়টি প্রায় পরিষ্কার হয়ে গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: