সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চাকরিরত বদরুলকেই পদ, এখন ভিন্ন সুর

photo-1475592026ডেইলি সিলেট ডেস্ক: সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

বদরুল আলম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কমিটির সহসম্পাদক। চলতি বছরের ১০ মে কমিটির নাম প্রকাশ করা হয়। এর দুদিন আগে কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

বদরুল আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় প্রধান সৈয়দ হাসানুজ্জামান শ্যামল।
এদিকে বদরুল একটি স্কুলের শিক্ষক উল্লেখ করে ছাত্রলীগ বলছে, সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী কেউ চাকরিতে যোগ দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ২০১৪ সালে চাকরিতে যোগ দেন বদরুল আলম। এখন পর্যন্ত তিনি স্কুলটির শিক্ষক। চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থাতেই তিনি ছাত্রলীগের কমিটিতে সদস্যপদ পেয়েছেন।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, ‘যেহেতু বদরুল আলম বর্তমানে ছাতক উপজেলার আলহাজ আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন; বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, শুধুমাত্র নিয়মিত ছাত্ররাই সংগঠনের সদস্য হিসেবে সক্রিয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। চাকরিজীবীরা নন। সে হিসেবে সাংগঠনিক নিয়মেই কর্মক্ষেত্রে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গেই তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।’

সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে নার্গিসকে কোপানোর ঘটনা বদরুলের ব্যক্তিগত নৃশংসতা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কারো ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায়ভার সংগঠন নেবে না।

এদিকে আলহাজ আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দাস এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ২০১৪ সালে বদরুল আলমকে নিয়োগ দেন তারা। স্কুলটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং সে সময় বদরুল স্নাতক পাস না করায় শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক সনদ থাকায় তাকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই সময় থেকেই স্কুলটিতে বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণের ক্লাস নিতেন তিনি। তবে এ জন্য কোনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। মৌখিক চুক্তির ভিত্তিতেই বদরুল তাদের স্কুলে পড়াতেন বলে জানান পবিত্র কুমার দাস।

প্রধান শিক্ষক বলেন, যেহেতু স্কুলটি এমপিওভুক্ত নয়, বেতন-ভাতা কম দেওয়া হয়, সে কারণে সহজে ভালো শিক্ষক পাওয়া যায় না। বদরুল আলম খণ্ডকালীন শিক্ষক হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

সোমবার বিকেলে খাদিজা সিলেট এমসি কলেজের পরীক্ষা হল থেকে বের হওয়ার পথে চাপাতি দিয়ে তাকে কুপিয়ে আহত করে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম।

প্রথমে খাদিজাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক দফা অস্ত্রোপচার শেষে সোমবার রাতে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে নার্গিসে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপাচারের পর ডাক্তার জানিয়েছে তার বাঁচার আশা ক্ষীণ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: