সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কাশ্মীরের পাক-ভারত অংশে জনজীবনে বিপরীত চিত্র

154974_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জীবন-যাত্রা বেশ স্বাভাবিক মনে হলেও ভারতীয় অংশে বিরাজ করছে তার বিপরীত অবস্থা। সেখানকার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে গ্রামবাসীরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

পাকিস্তান অংশে বাজার ও স্কুল প্রভৃতি খোলা রয়েছে। রাখালেরা তাদের ছাগল ও গরু মাঠে চড়াচ্ছে এবং শিশুদের দেখা গেছে তারা স্থানীয় দোকানগুলো থেকে ক্যান্ডি, চকোলেট প্রভৃতি কিনতে।

শনিবার কয়েক ডজন গণমাধ্যম কর্মী সীমান্ত গ্রাম বাগসার পরিদর্শনে গেলে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। গ্রামটি ইসলামাবাদ থেকে ১৬৬ কিলোমিটার  উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।

দুই বৈরী প্রতিবেশির সীমান্ত বরাবর ৭৪০ কিলোমিটার পাহাড়ী এলাকা যা লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত। এটি উভয় পক্ষের সীমান্ত রক্ষীদের দ্বারা কঠোরভাবে সুরক্ষিত।

ছোটখাট বিচ্ছিন্ন লড়াই সত্ত্বেও ২০০৩ সাল থেকে এখানে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। যেকোন ধরনের সহিংসতা শুরুর জন্য ধারাবাহিকভাবেই এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অভিযুক্ত করে আসছে এবং কেবল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে।

শনিবার পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তারা সর্বশেষ কাশ্মীর বিরোধে ভারতীয় দাবি খণ্ডন করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, ২৯ সেপ্টেম্বর নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর তারা ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ পরিচালনা করেছে এবং কাশ্মীর ভিত্তিক সন্ত্রাসীদের ৫টি আস্তানা ধ্বংস করে দিয়েছে।

পাকিস্তানি সামরিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল অসিম সালিম বাজওয়া সফররত সাংবাদিক জানান, ভারতীয় দাবির পুরোটাই মিথ্যা।

বাজওয়া বলেন,  ‘ভারতীয় সৈন্যরা বিনা উস্কানিতে সীমান্ত বরাবর পাঁচটি পৃথক এলাকায় রাত ২টার পরে ক্ষুদ্র অস্ত্র ও মর্টার শেলের গুলিবর্ষণ করে। এটি ভোর ৭টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল এবং এতে দুই পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করার পরেই ভারতীয়রা পিছু হটে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওই ঘটনা ছিল নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপর যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন যা কার্যকর ও দৃঢ়ভাবে শাস্তি যোগ্য অপরাধ।’

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে একটি সেনা ঘাঁটিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর মারাত্মক হামলার ঘটনার ১০ দিন পরে ভারতীয়রা এ হামলা পরিচালনা করে। সন্দেহভাজন বিদ্রোহীরা বন্দুক ও গ্রেনেড ব্যবহার ওই সেনা ঘাঁটির অন্তত ১৭ জন সৈন্যকে হত্যা করে।

ভারতীয় দিকের বেসামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত মূলত শান্ত রয়েছে। তবে, তাদের মধ্যে শঙ্কা বিরাজ করছে। সেখানকার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক দ্বিতীয় রাত কাটান।

আশ্রয় কেন্দ্রে খর গ্রামের বাসিন্দা সাইদ মোহন লাল বলেন, ‘প্রতি বছর আমাদের এই কষ্ট ভোগ করতে হয়। এই যুদ্ধ কোন দিন শেষ হবে বলে মনে হয় না।’

সূত্র: ফক্স নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: