সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দু’খন্ড রডের জন্য নির্যাতনের শিকার ৭ বছরের শিশু

ctg-sesu-415x550নিউজ ডেস্ক : এবার বাগেরহাটে মংলায় ৭ বছরের এক শিশুকে চুরির অভিযোগে লোহার রডের সাথে বেধে নির্মম নির্যাতন ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের শিকার শিশু শাকিল মংলা শ্রমকল্যাণ রোডের দিনমজুর শামীমের ছেলে।

শুক্রবার দুপুরে মংলা শহরের টেডার্স মসজিদ সামনের রাস্তায় দুটি লোহার রড কুড়িয়ে পায় শাকিল। এ রড দু’টি নিয়ে মংলা শহরের মেসার্স রফিকুল ইসলাম আয়রন স্টোরের সামনে একটি ভাঙ্গারীর দোকানে বিক্রি করতে যায় শাকিল। এসময় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আবুল হোসেন (৫০) ও তার কর্মচারী শুক্কুর (৪৮) চুরির অভিযোগ এনে শিশু শাকিলকে লোহার রডের সাথে বেধে ফেলে। শুরু হয় শাকিলের প্রতি নিষ্ঠুর ও নির্মম নির্যাতন। যা দেখে আশপাশের লোকজন হতবাক হয়ে পড়ে। অনেকে শিশুটি বাঁচাতে ছুটে গেলেও মন গলেনি ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আবুল ও শুকুরের। এক পর্যায়ে শিশু শাকিলকে হাত বেঁধে পিটিয়ে রোদে বসিয়ে রাখা হয়।

পরে খবর পেয়ে মংলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শাকিলকে উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্মচারী শুক্কুর হোসেনকে আটক করে। পরে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তার পরিবারে কাছে দুপুরের দিকে হস্থান্তর করা হয়। বিকালে এ ঘটনায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মংলা একটি মামলা হয়েছে।

মংলা থানা পুলিশের শহর উপ-পরিদর্শক (টিএসআই) উত্তম চ্যাটার্জি বলেন, “দুপুর ১২টার দিকে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক মংলা ট্রেডার্স মসিদ রোডে সেমার্স রফিকুল আয়র ষ্টোরের সামনে আসি। এ সময় দেখি চুরির অভিযোগে অমানবিক ভাবে শিশু শাকিলকে হাত পিছনে দিয়ে বেঁধে রৌদে বসিয়ে রেখেছে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আবুল হোসেন ও তার কর্মচারী শুক্কুর। পরে শিশু শাকিলকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রড চুরির অভিযোগে বেলা ১২টারদিকে শিশু ছেলেটিকে মেরে বেঁধে তার পায়ের উপর রড দিয়ে তপ্ত রোদে বসিয়ে রাখা হয়। ব্যাপারটি মর্মান্তিক দেখে এ সময় কয়েকজন ছেলেটিকে উদ্ধার করতে চাইলেও বাধা দেয় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আবুল হোসেন ও তার কর্মচারী শুক্কুর আলী। এ বিষয়ে নির্যাতনের শিকার শিশু শালিক বলেন, “আমি দুটি ছোট রড রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছি। যখন বিক্রি করতে তাদের কাছে যাই তারা আমাকে টাকা না দিয়ে চুরি করেছিস বলে মারপিট করে এবং রোদে বেঁধে রাখে। অনেক চিৎকার করলেও তারা আমারে ছাড়ে নাই। পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: