সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কাশ্মীরে চলছে বাংকার খোঁড়াখুঁড়ি

indian-army-bunker-bg20160930160830আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
নিয়ন্ত্রণ রেখা (লাইন অব কন্ট্রোল) ঘিরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক (সুনির্দিষ্ট টার্গেটে হামলা) ও পাল্টা আঘাতের খবরের মধ্যে ভারতের কাশ্মীরে চলছে বাংকার (মাটির নিচে গর্ত করে আশ্রয়) খোঁড়াখুঁড়ি। নিজেদের নিরাপত্তায় সেখানকার জনগণ পাহাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এ বাংকার খুঁড়ছেন।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশ ক’দিন ধরেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো ছাড়তে শুরু করেন বাসিন্দারা। এরপরও যারা থেকে যাচ্ছিলেন, তারা গত বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে পাকিস্তান ভূ-খণ্ডের ২ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর পর চিন্তিত হয়ে পড়ছেন।

সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরই মূলত কাশ্মীরের বান্দিপোরা, পুঞ্চ ও কুপওয়ারা জেলাসহ সংলগ্ন এলাকার লোকজন বাংকার খুঁড়তে শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফ থেকেই তাদের বাংকার খুঁড়ে রাখতে বলা হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পাকিস্তানের পাল্টা গুলিতে ১৪ সৈন্য নিহত ও একজনকে বন্দি করার দাবি গণমাধ্যমে ছড়ানোর পর বাংকার খোঁড়ার তোড়জোড় আরও বেড়ে গেছে।

তবে যারা বাংকার খুঁড়ছেন না এবং একেবারে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করছেন, তাদের সরিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন। কাশ্মীরের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নির্মল সিংহ যেমনটি বলেছেন, “আমরা নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন বাসিন্দাদের সরানো শুরু করেছি। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়!”

রাজ্যের প্রশাসন আশঙ্কা করছে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রতিক্রিয়ায় আগামী ক’দিন পাকিস্তানের দিক থেকে গোলাগুলি বাড়বে। সেজন্য টংধর, কেরান এবং মচিলের মতো প্রায় ৩০০ গ্রামের বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব গ্রামগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে প্রশাসন।

১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এসব এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনেরই পরামর্শে বাংকার খুঁড়েছিলেন। সেসময় গোলাগুলি হলেই লোকজন ওইসব বাংকারে আশ্রয় নিতেন। কিন্তু ২০০৩ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে আসায় ওই বাংকারগুলো ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। এখন সেই বাংকারগুলোই আবার খুঁজতে হবে, নতুবা খুঁড়তে হবে নতুন করে।

এদিকে, ভারত সীমান্তে যখন এ ধরনের বাংকার খোঁড়াখুঁড়ি চলছে, তখন পাকিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোও খালি করার খবর আসছে। এমনকি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, পাকিস্তান সীমান্ত খালি করে সেখানে সেনা অবস্থান ও অস্ত্রশস্ত্র মজুদ বাড়িয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কাশ্মীরের উরি সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা ১৮ ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ সম্পর্কে উত্তেজনা এখন চরমে। দু’পক্ষই সীমান্তে সেনা মোতায়েন ও তৎপরতা বাড়িয়েছে। দফায় দফায় যুদ্ধবিমানের মহড়া চালাচ্ছে পাকিস্তান। আর ভারতও প্রস্তুত করছে তাদের যুদ্ধবিমানকে।

দু’পক্ষের মধ্যে বাকযুদ্ধের মধ্যে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বয়কট করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: