সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

উত্তেজনার মূল সূত্র

bbbb0a9e5c12615e9ea720d46484ced9-57ed4ccc4abb1-2-550x303আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত-পাকিস্তানের চিরাচরিত দ্বন্দ্ব আবার নতুন করে ফিরে এসেছে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর থেকে চার চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছিল দেশ দুটি। এর মধ্যে তিনবারই কাশ্মীর নিয়ে। তবে এরপর বেশ ক’বছর ধরে দুই দেশের সম্পর্কে তুলনামূলক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছিল। তিন মাস আগে বারুদে নতুন ঘষা লাগে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নিহত হওয়ার পর উত্তাল হয়ে ওঠে পৃথিবীর ভূস্বর্গখ্যাত এ উপত্যকা। কাশ্মীরীদের সহিংস প্রতিবাদ বিক্ষোভে প্রকাশ্যে সমর্থন দেয় পাকিস্তান। সেখান থেকেই শুরু দুই দেশের সাম্প্র্রতিক উত্তেজনা।

এর মধ্যে কাশ্মীরের উরি সেনাঘাঁটিতে হামলায় ১৮ ভারতীয় সেনা নিহত হন। এ ঘটনায় পাকিস্তানের প্রতি আঙুল তোলে ভারত। তৈরি হয় যুদ্ধের উত্তেজনা। ৮ জুলাই কাশ্মীরের অনন্তনাগের কোকেরনাগ এলাকায় সেনা ও পুলিশের বিশেষ বাহিনীর যৌথ অভিযানে হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানিসহ তিন হিজবুল যোদ্ধা নিহত হন। কাশ্মীরের ‘স্বাধীনতাকামীদের’ কাছে তিনি ‘হিরো’। ওয়ানিদের ‘আইকন’। তার মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি কাশ্মীরের ‘স্বাধীনতাকামীরা’। ফলে তার জানাজাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা। আর তাতে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ থামাতে কাশ্মীরজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারায় ৭০ জনের বেশি মানুষ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বুরহান ওয়ানির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে কাশ্মীরে ভারতীয় হত্যাকাণ্ড বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। এতেও ক্ষুব্ধ হয় ভারত।

১৮ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ভারি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক জম্মু কাশ্মীরের উরিতে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক বাহিনীর একটি প্রশাসনিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে ১৮ সেনা সদস্য ও ৪ হামলাকারী নিহত হয়। এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে ওই হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি। তবে হামলার জন্য পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদকেই সন্দেহ করছে ভারত।

এর আগে চলতি বছরের প্রথমদিকে পাঞ্জাবের পাঠানকোটে ভারতের বিমানঘাঁটিতে হামলার জন্যও ওই সশস্ত্র সংগঠনটিকে দায়ী করেছিল ভারত। জঙ্গি এ সংগঠন পাকিস্তানের সৃষ্টি এবং পাকিস্তানে থেকেই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে বলে ভারত দাবি করে আসছে। কাশ্মীরের স্বাধীনতার জন্য গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন। এ সংগঠনগুলোর কোনো কোনোটি সশস্ত্র, যাদের ভারত সরকার কখনও ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’, কখনও ‘জঙ্গি’ আবার কখনও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে আসছে। ভারত বরাবরই বলে আসছে এসব বিচ্ছিন্নতাবাদীকে ম“ বা উসকে দিচ্ছে পাকিস্তান! যুগান্তর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: