সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৩৬৫ দিনে ৩৬৫ রূপ পৃথিবীর!

earth_and_limb_m1199291564l_color_2stretch_mask_0-550x405আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়। পৃথিবীর রূপও নাকি পরিবর্তন হয়। দেমনটাই জানিয়েছে নাসার বিজ্ঞানীরা। মহাকাশ স্টেশন থেকে তোলা পৃথিবীর ছবিতে দেখা গেছে, দিন-রাত হওয়ার সময় পৃথিবীর শেষ প্রান্তে অদ্ভুত আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। দিনের নীল পৃথিবী ধীরে ধীরে সূর্যাস্ত যাওয়ার সময় লাল হতে থাকে। দিনের কখন কী রঙ ধারণ করে তাও দেখা গেছে।

পৃথিবী থেকে ১০ লাখ মাইল দূরে নাসার পলিক্রোম্যাটিক ইমেজিং ক্যামেরা (ইপিআইসি বা এপিক) দিয়ে তোলা ছবি থেকে তেমনটাই চানা গেছে। এপিক প্রতিদিন পৃথিবীর ছবি তুলে যাচ্ছে। এই ক্যামেরাটি লাগানো রয়েছে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে নিজের কক্ষপথে ঘোরা ‘ডিপ স্পেস ক্লাইমেট অবসার্ভেটরি’ (ডিএসসিওভিআর) স্যাটেলাইটে।

মহাকাশ থেকে পৃথিবী দেখতে কেমন এতোদিনে তা আমাদের অজানা নয়। প্রযুক্তির এই যুগে গুগ্ল আর্থে ক্লিক করলেই পৃথিবীর স্যাটেলাইট ইমেজ অনায়াসে দেখা যায়। শুধু দেখা যায় বললে ভুল হবে। পৃথিবীর আরও গভীরেও চলে যাওয়া সম্ভব।
আধুনিক প্রযুক্তির দৌলতে পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় করা গেছে। দেখা ঋতু ভেদে পৃথিবী কীভাবে পাল্টে যায়। মাহাকাশ স্টেশনে বসে মহাকাশচারীরা অবিরাম পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন বিষয়গুলো। সেসব ছবিও তারা পাঠিয়েও দিচ্ছেন পৃথিবীতে।

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপিক ৩৬৫ দিনে প্রায় তিন হাজার পৃথিবীর ছবি তুলেছে। এছাড়া একদল বিজ্ঞানী পৃথিবীর সেসব ছবি নিয়ে অনবদ্য ভিডিও তৈরি করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, দিন-রাত হওয়ার সময় তার চেহারা কেমন পাল্টে যাচ্ছে, সবই দেখা গেছে এপিকের তোলা ছবিতে। শুধু পৃথিবীর ওপরের ছবি তোলেনি এপিক, মরুভূমি, জঙ্গল ও মহাসাগরের ছবি তুলছে। ফলে পৃথিবীর দুর্গম জায়গায় গবেষণা চালাতে বিজ্ঞানীদের কাজ অনেকখানি সহজ করে দিয়েছে এপিক। এ ছবি থেকেই আভাস পাওয়া যাবে ভবিষ্যতে মহাকাশের অজানা বিপদ থেকে।

এপিকের পাঠানো ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে দিন-রাত হওয়ার সময় পৃথিবীর শেষ প্রান্তে অদ্ভুত আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। দিনের নীল পৃথিবী আস্তে আস্তে সূর্যাস্ত যাওয়ার সময় লাল হতে থাকে। রংই জানিয়ে দেয় আমরা পৃথিবীতে কী অবস্থায় আছি।
নাসার বিজ্ঞানী জয় হারমন বলেন, ছবিতে লাল, নীল ও সবুজ এই তিন রঙের মিশ্রণ দেখা গেছে। প্রতি দু’ঘণ্টায় এপিক ছবি পাঠানোর সুবাদে পৃথিবীর আবহাওয়ারও আগাম বার্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরো জানা, পৃথিবী দুই-তৃতীয়াংশ মেঘের চাদরে মোড়া রয়েছে। ফলে সূর্যের আলোর অনেকটাই প্রতিফলন হয়ে ফিরে যায়। সূর্যের পুরোপুরি আলো না পৌঁছনোয় বেশ শীতল রয়েছে পৃথিবী। মেঘের পরিবর্তন পৃথিবীর তাপমাত্রাকে ঠিক রাখে বলে মনে করছেন তিনি। এছাড়া ওজন ও অ্যারোসলস গ্যাসের মাত্রা, মেঘের উচ্চতা, অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিফলন সম্পর্কেও ছবি থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। সূত্র: নাসা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: