সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

shalla-uno-pic-1-jpeg_36162ডেইলি সিলেট ডেস্ক:
সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় আন্দোলনের মুখে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আসিফ বিন ইকরামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকালে তাকে শাল্লা থেকে প্রত্যাহার করে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জেলার কর্মরত সাংবাদিকেরা ওই ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবিতে জেলা শহরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জনপ্রশাসনমন্ত্রীর কাছে একই দাবিতে স্মারকলিপি দেন তাঁরা। সাংবাদিকরা ইউএনওকে প্রত্যাহারে সাতদিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।

গত রোববার সকালে শাল্লা উপজেলা বাজারে স্থানীয় সাংবাদিক বকুল আহমেদ তালুকদারকে মারধর করেন ইউএনও ইকরাম। আহত অবস্থায় তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বকুল সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক শ্যামল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক হিজল-করচ’র শাল্লা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্ট ইউএনও বকুল আহমেদকে মারধরের পর পুলিশকে নির্দেশ দেন তাকে গ্রেপ্তারের জন্য। পরে তিনি দৌঁড়ে সেখান থেকে সরে যান। এরপর উপজেলা পরিষদের গেটের পাশে থাকা বকুল আহমেদের একটি দোকান ঘর ভেঙ্গে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি। পরদিন সোমবার বিকালে স্থানীয় আরেক সাংবাদিক বাদল চন্দ্র দাসের দোকানঘর সেখান থেকে একইভাবে উচ্ছেদ করেন তিনি। আন্দোলনকারী সাংবাদিকদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মতিউর রহমান সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করেন এবং সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।ৱ

উল্লেখ্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে সরকারের ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণের উদ্বোধন করেন ইউএনও। কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ওই ঘরের বারন্দায় ওঠার স্থানটি কিছুটা নিচু হওয়ায় সেখানে চালভর্তি বস্তা ফেলে সিঁড়ি উঁচু করা হয়। পরদিন এ নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ইউএনও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং উপজেলার সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। তাঁকে মারধর এবং অন্যদের দেখে নেওয়ার হুমকির পর ওই ইউএনওর ভয়ে উপজেলা ছেড়ে জেলা শহরের এসে আশ্রয় নেন সেখানকার সাংবাদকর্মীরা। ইউএনও আসিফ বিন ইকরাম তাঁর আগের কর্মস্থল সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় থাকাকালেও সেখানে এক পাথর ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পরিবেশ বিধ্বংসী বোমামেশিন চালানোর সুযোগ দেওয়ার কথা বলে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে জমা রেখে দেন। এ নিয়ে জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়ায় তার দুটি বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) বন্ধ রেখেছে । জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম প্রত্যাহারের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: